অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ || ভার্কের নির্বাহী পরিচালকসহ নয় কর্মকতার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৭, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ

মোহনপুর পৌর প্রতিনিধি


ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এনজিও’র নির্বাহী পরিচালকসহ ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মোহনপুর এরিয়ার ৬টি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক সকল স্টাফের পক্ষে বাদি হয়ে রাজশাহীর আমলি এক নম্বর আদালতে (মোহনপুর) পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাগুলো তদন্ত করার জন্য মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদিরা ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এনজিও’তে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে আসছেন। চাকরিতে যোগদানের পর থেকে বেতন থেকে নিয়মানুসারে কল্যাণ ফান্ড, প্রভিডেন্ড ফান্ড, গ্রাচ্যুইটি ফান্ড, কো-অপারেটিভ ফান্ডে কুপনের মাধ্যমে ১০ বছর ধরে নিয়মিত টাকা জমা দিয়ে আসেন। কিন্তু ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টারের (ভার্ক) নির্বাহী পরিচালক শেখ আবদুল হালিম (৬৫), উপনির্বাহী পরিচালক ইয়াকুব হোসেন (৬২), অর্থ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক আনোয়ার হোসেন (৬৫), সাবেক সেক্রেটারি সহযোগী সমন্বয়কারী ও কো-অপারেটিভ সোসাইটি শহিদুল ইসলাম (৬০), সহ-সম্বয়কারী (প্রশাসন) ইউসুফ হোসেন (৪৫), কো-অপারেটিভ সোসাইটির সহযোগী সমন্বয়কারী ও সেক্রেটারি মাসুদ রায়হান (৪৩), অভ্যন্তরীণ প্রধান নিরক্ষক রায়হান উদ্দিন সরকার (৪৮), ফেরদৌস রহমান (৪০) এবং কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রশিদ মৃধা (৪৫) মিলে এক কোটি ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৭০৫ টাকা আত্মসাৎ করেন। মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে কো-অপারেটিভ সোসাইটির নামে প্রত্যক স্টাফের কাছ থেকে প্রতিমাসে সর্বনি¤্ন ৫শ টাকা বেতন কর্তন করে আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও দুযোর্গ কবলিত এলাকার ভার্কের ক্ষতিগ্রস্ত সদস্যদের ঋণের টাকা মওকুফের জন্য সঞ্চিত করা হলেও চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে এলএলপি ফান্ডের প্রায় এক কোটি টাকা ভার্কের সকল শাখা অফিস হতে ডকুমেন্ট মুছে দিয়ে ভুয়া সমন্বয় দেখিয়ে আত্মসাৎ করেন।
মামলার বাদি, সাক্ষি ও অন্যান্য স্টাফরা তাদের জমাকৃত টাকা ফেরৎ চাইলে ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট মোহনপুর শাখা অফিসে উক্ত কর্মকর্তারা প্রাপ্য টাকা ফেরৎ দিতে অস্বীকার করেন এবং চাকরিচ্যুতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। মোহনপুর এরিয়ার ছয়টি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক সকল স্টাফের সঙ্গে আলোচনা করে ৫ সেপ্টেম্বর নির্বাহী পরিচালকসহ ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে পৃথক পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, আদালত হতে ছয়টি মামলা থানায় এসেছে। মামলাগুলো তদন্ত করে সঠিক তথ্য আদালতে প্রেরণ করা হবে।