‘অশিক্ষিত সাংবাদিক, মানবতাহীন ডাক্তার’

আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ

আনিস আলমগীর


সাংবাদিক বনাম ডাক্তার রেষারেষিটা বিগত কয়েক বছর বেশ চলছে। আমার বড় ভাই ডাক্তার, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডাক্তারি পড়েছেন। আমি সাংবাদিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় পড়েছি। আমি হাইস্কুলে যাওয়ার আগেই তিনি ডাক্তার। ফলে আমাদের পরিবারে ডাক্তারের প্রতি সম্মান, সাংবাদিক নিয়ে গর্ব করার থেকে বহু পুরনো। কখনও আমরা মারাত্মক ভুল চিকিৎসা বা নগ্ন সাংবাদিকতার শিকারও হইনি যে পেশা দুটির প্রতি পারস্পরিক বিদ্বেষ আসবে। ব্যক্তিগতভাবে একসময় ভাইয়ের পরিচয়ে, এখন নিজের পরিচয়ে ডাক্তার বন্ধুদের কাছ থেকেও উত্তম সেবাও পাই। কিন্তু আজ বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায়, পত্রিকার পাতায় খবর দেখছি সাংবাদিক-ডাক্তার মুখোমুখি। পরস্পর পরস্পরকে দেখে নেওয়ারও হুমকি দিচ্ছেন প্রকাশ্যে।
ডাক্তারদের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে ভালো চিকিৎসা পেলেও গত মে মাসের ২৩ তারিখে চিকিৎসা নিয়ে ফেসবুকে আমি একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। সেটা আবার দুটি পত্রিকা ছেপেছেও। এখানে শেয়ার করা প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে। বলেছিলাম- “দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর আমার এতো ভীতি, অনাস্থা যে সবসময় দোয়া করি হাসপাতালে যাওয়ার আগেই যাতে বিনা খরচে, বিনা অবহেলায় মৃত্যু হয়। বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ারও আমার সামর্থ্য নেই।
এখানকার চিকিৎসক, চিকিৎসালয়, চিকিৎসা ব্যয় দেখার কোনও লোক নেই। যারা দেখার তারা যান বিদেশে চিকিৎসা নিতে।
রোগে শোকে পড়া মানুষগুলোর দুরবস্থা দেখে আমি নিজেকে তাদের স্থানে রেখে আঁতকে উঠি! নীরবে কান্নাও আসে। হুট করে লোকজনের মরে যাওয়ার খবরে বিষণ্ন হয়ে পড়ি।
তাজিন কি তার রোগের সঠিক চিকিৎসা পেয়েছিল এই দেশে! মৃত্যুর আগে হাসপাতালে কতটা উন্নত, ত্বরিত এবং সুচিকিৎসা এই দেশ তার জন্য নিশ্চিত করেছিল!!
এটুকু সুখের সংবাদ দিতে পারি যে আমার এখনো কোনো জটিল রোগ নেই।
শোকর আলহামদুলিল্লাহ!”
এই স্ট্যাটাসের পর দেশের চিকিৎসা সেবা নিয়ে সাংবাদিক হিসেবে আমার নতুন করে বিস্তারিত বলার কিছু নেই।
সৃষ্টিকর্তার পর মানুষ যার কাছে জীবন বাঁচাতে আস্থা রাখে তিনি চিকিৎসক। কত বড় মহান পেশা এটি বলে বুঝানো যাবে না। আবার রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার, আদালত- সব জায়গায় যখন কোনও ব্যক্তি আশ্রয় পায় না, ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় তার শেষ ভরসাস্থল হয় সংবাদমাধ্যম। হয়তো একসময় তিনি ছিলেন রাষ্ট্রনায়ক, আইনের লোক হিসেবে ছিলেন প্রবল ক্ষমতাধর পুলিশ, ডাক্তার হিসেবে বাঁচিয়েছেন হাজার মানুষের জীবন, তাকেও প্রয়োজনে আশ্রয় চাইতে হয় সাংবাদিকদের কাছে। তাই আমার মতে, সাংবাদিক, ডাক্তার, পুলিশ- এই পেশার লোকদের মানুষকে নিঃস্বার্থ সেবাদানের প্রচুর সুযোগ রয়েছে।
হঠাৎ করে পারস্পরিক রেষারেষি, বিদ্বেষ দেখা যাচ্ছে কেন পেশাগুলোর মধ্যে- বিশেষ করে সম্প্রতি ডাক্তার আর সাংবাদিকদের মধ্যে। আমি ঠিক ইতিহাস জানি না কখন থেকে এর শুরু। তবে ধারণা করি- এর সূত্রপাত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ দিয়ে। বিশেষ করে ইন্টার্নি ডাক্তারদের সঙ্গে সাংবাদিকদের কয়েক দফা মারামারি, হাতাহাতি, ডাক্তারদের ধর্মঘট বিষয়টিকে তিক্ততার দিকে নিয়ে গেছে। সোশ্যাল মিডিয়া শুরু হওয়ায় এটা আরও বাড়ছে। ডাক্তারদের ফেসবুক গ্রুপে নব্য ডাক্তার, আগামী ডাক্তারদের নানা মন্তব্য দেখলেও আপনি উত্তাপ বুঝতে পারবেন। আর সাংবাদিকদের তো রয়েছে খোলা কলম।
অবশ্য এর সঙ্গে যোগ হয়েছে কথায় কথায় কথিত ভুল চিকিৎসা নিয়ে রোগীর দলের হাসপাতাল ভাঙচুর, সাংবাদিকদের সেটা নিয়ে ফলাও প্রচার। ডাক্তারদের অভিযোগ, সাংবাদিকরা এসব ঘটনায় ডাক্তারকে ভিলেন বানাতে উঠেপড়ে লাগে। ভুল রিপোর্ট করে। ডাক্তারদের ডাক্তারি শেখায়। বেশিরভাগ সাংবাদিক নাকি অশিক্ষিত।
ভুল রিপোর্ট যে হয় না তা নয়। কিন্তু একটি পত্রিকা ভুল করলে আরেকটি পত্রিকায় তার আসল খবর প্রকাশিত হয়। কিন্তু ডাক্তাররা কখনও স্বীকার করে না ভুল চিকিৎসা করেছেন। তারা ধরে নেয়, ‘অশিক্ষিত সাংবাদিকরা’ ভুল রিপোর্ট করেছে। যারা ডাক্তারি পড়েন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তারা বেশিরভাগ সাংবাদিকের চেয়ে ছোটকালে ভালো ছাত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। সেটাকে মাথায় রেখে তারা সাংবাদিকসহ অন্য পেশার লোকদের ‘কম জ্ঞানী’ হিসেবে বিবেচনা করেন। যেন সব জান্তা শমসের তারা। অথচ পেশা হিসেবে যদি সাংবাদিকতাকেই শুধু বিবেচনা করতে হয়, তাহলে সবজান্তা শমসের হতে হয় সাংবাদিকদের। তারা উকিলকে আইন, ডাক্তারকে ডাক্তারি, ব্যবসায়ীকে ব্যবসা শেখানোর কাজ নিয়েছেন। সে কোনোটাতেই বিশেষজ্ঞ না, অথচ সবটাই কিছু কিছু তাকে জানতে হয়। অন্য পেশায় এই জানার প্রয়োজন পড়ে না।
সাংদিকতায় পড়াশোনা করলে এথিকস বা নীতি নৈতিকতা বলে একটি বড় গুরুত্বপূর্ণ সাবজেক্ট পাস করতে হয়। আমার জানা নেই, ডাক্তারি বিদ্যায় মানবতা বলে কোনও সাবজেক্ট যোগ করা হয়েছে কিনা। না হলে তা জরুরিভাবে যোগ করা দরকার। যাই হোক, ডাক্তাররা যখন নিজেদের জবাবদিহির ঊর্ধ্বে ভাবেন, নিজেদেরকেই শুধু জ্ঞানী ভাবেন, তখন মিডিয়াই তার একমাত্র প্রতিপক্ষ হিসেবে সামনে এসে তাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। সেখানেই সংবাদপত্রকে ডাক্তার সমাজ শত্রু পক্ষ হিসেবে ট্রিট করে, মিডিয়া কর্মীদের গায়ে হাত তোলে। আর হাত তুলতে না পারলে রোগীদের জিম্মি করে ধর্মঘটের ডাক দেয়। পৃথিবীর কোনও দেশে রোগীদের জিম্মি করে এ ধরনের ধর্মঘট হয় কিনা আমার সন্দেহ আছে।
সাম্প্রতিক ঘটনার কথাই ধরুন না। গত ২৯ জুন চট্টগ্রামের ম্যাক্স হসপিটালে এক সাংবাদিক তার তিন বছরের এক শিশু সন্তানকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গিয়েছিল। ম্যাক্স এমন চিকিৎসা প্রদান করেছে যে শিশু বাচ্চাটার দাঁত পর্যন্ত পড়ে গেছে আর অবশেষে শিশুটা মারা গেছে। হাসপাতালটির বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ আনা হয়। এর সঙ্গে জড়িত চিকিৎসকদের বিচারের দাবিও জানানো হয়। এরপর, চট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে এক সরকারি তদন্তে মেয়েটির চিকিৎসায় অবহেলার প্রমাণ পায়। মামলা হয়েছে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলতে পারতো। কিন্তু চট্টগ্রাম বিএমএ নেতারা যেন তা হতে দেবেন না পণ করেছেন। একটি শিশুকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে হত্যা করার পর সমবেদনা জানানোর পরিবর্তে সাংবাদিকদের দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন। সাংবাদিকদের পরিবারকে চিকিৎসা না দেয়ার হুমকি দিয়েছেন।
র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমের নেতৃত্বে একটা দল মেহেদীবাগের ম্যাক্স হাসপাতাল অভিযান চালান। এ অভিযানের সময় স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি হিসেবে ডা. দেওয়ান মহাম্মদ মেহেদী হাসানও উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলা ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমের এ অভিযানে ম্যাক্স হাসপাতালের সবকিছু যাচাই বাছাই করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্তে যেখানে স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন, ম্যাক্সের লাইসেন্স ত্রুটিপূর্ণ বলে ম্যাজিস্ট্রেট শনাক্ত করেন।
অভিযানের সময় দেখা যায় যে অদক্ষ অনভিজ্ঞ ডাক্তার নার্স দিয়ে ম্যাক্স কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। এসব কারণ প্রত্যক্ষ করে ম্যাজিস্ট্রেট ম্যাক্সকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন। আবার অপারেশন থিয়েটারে মেয়াদ উত্তীর্ণ ইনস্ট্রুমেন্ট এবং হাসপাতালে লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগে আরও ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
এখন সরকারের এই তৎপরতার বিরুদ্ধে হসপিটাল এবং ল্যাব ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। আর প্রেস রিলিজে কারণ হিসেবে বলছেন, ‘সাংবাদিক কর্তৃক বেসরকারি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর নগ্ন হামলার প্রতিবাদে’ এই ধর্মঘট। সব দোষ সাংবাদিকের! আসলেই তো, মিডিয়ায় এসব না আসলে তো কোনও অভিযান হতো না, এত গোমরও ফাঁস হতো না। খুবই ইন্টারেস্ট্রিং বিষয় হচ্ছে, বেসরকারি হাসপাতাল এবং ল্যাব ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন ডা. লিয়াকত আলী খান। আর তিনি হচ্ছেন ম্যাক্স হাসপাতালের মালিক।
অবশ্য এর মধ্যে তারা তাদের ‘দোকানগুলো’ একদিন বিরতি দিয়ে খুলে দিয়েছে। হাইকোর্টও তাদের নিয়ে একটা পর্যবেক্ষণ দিয়ে বলেছেন, ‘এটি অনৈতিক’। দেশে চিকিৎসাসেবার অপ্রতুলতা এবং অবহেলার কারণে অনেকে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করান। এর ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয় বলেও সেই পর্যবেক্ষণে উল্লেখ রয়েছে।
আমাদের চিকিৎসার প্রতি অনাস্থা আর ডাক্তারদের অবহেলার বিষয়ে বলতে গেলে দীর্ঘ বিতর্কের বিষয় আসবে। আর তাদের কারও কারও ব্যবহারের কথা নাই বললাম। সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে অনেকেই দেখছেন। না জানা থাকলে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিতে আসা একজন মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহারের যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে তা দেখতে পারেন।
আমি মনে করি, হাইকোর্টের পর্যক্ষেণের চেয়ে ডাক্তারদের অবহেলা আর ভুল চিকিৎসার অভিযোগে যে মামলাগুলো হয় তার সুষ্ঠু বিচার জরুরি। যদি বিচার পাওয়া যেত তাহলে একটা শৃঙ্খলা আসতো। রোগীর স্বজনদের রাগ গিয়ে হাসপাতালের লাখ টাকার সম্পত্তির ওপর পড়তো না, ডাক্তারদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার মধ্যে পড়তে হতো না। তা হওয়া উচিত না। একটা অন্যায়ের প্রতিবাদ আরেকটি অরাজকতার মধ্য দিয়ে সমাধান হতে পারে না। এর জন্য ডাক্তারদের সংগঠনকে ভূমিকা রাখতে হবে। ভূমিকা মানে নিজেদের সদস্যদের রক্ষা করা নয়, রোগীকে ন্যায় বিচার পাওয়ার নিশ্চয়তা, সহায়তা করাও।
ডাক্তারদের হাতে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার দায় ডাক্তারদের নিতে হবে। তারা নিতে চায় না বা উচ্চশিক্ষিত লোক হিসেবেও ভদ্রতার খাতিরে স্বীকারও করেন না। দেশে ১৫/২০ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকার পরও কোনও কারণে হঠাৎ একদিক একটা দুর্ঘটনার শিকার হলে গাড়িচালক যদি ঘাতক হতে পারে, ডাক্তার নয় কেন! তাকে তো মানুষ মারার লাইসেন্স দেওয়া হয়নি যে তার ভুল নিয়ে কেউ কিছু বলতে পারবে না, করতে পারবে না।
যাক, একজন ডাক্তারের চেম্বারের আয়, টেস্ট কমিশন, ওষুধ কোম্পানির কমিশন, বেতন, অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আমি কিছু বলবো না। ডাক্তারি কোনও ব্যবসা হতে পারে না, ব্যবসা হচ্ছে হাসপাতাল বা ক্লিনিক- এই জ্ঞান দিতেও যাবো না। বেসরকারি হাসপাতালগুলো, যেখানে রোগীদের সেবা-যতœ বেশি পাওয়ার কথা ছিল, সেখানে রোগীকে কসাই হয়ে কীভাবে গলা কাটছে- তা নিয়েও কিছু বলবো না। প্রাথমিক অবস্থায় ল্যাবরেটরি টেস্টের জন্য একটা ঘর নিয়ে বসে এখন অনেকে কী করে হাসপাতাল সাম্রাজ্য খুলে বসেছেন সেটা নিয়েও কিছু বলবো না। কারণ, এই সবই চর্বিত চর্বন হবে। সবার জানা।
যেটি অনেকে জানেন না, সেটি বলবো- তুলনামূলক সরকারি হাসপাতালে রোগীতে বোঝাই থাকলেও ডাক্তার নার্সরা ক্লান্তিহীনভাবে তাদের সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন। আর বলবো যে ডাক্তাররা যেন মায়া, মমত্ববোধ, মানবতা নিয়ে মানুষের সেবায় এগিয়ে আসেন। রোগ শোকে জর্জরিত লোক দেখতে দেখতে তারা যাতে পাষাণ না হয়ে যান। বলবো- দয়াও ধর্ম। দানও ধর্ম। এ গুণগুলোকে ধর্ম বলা হয়েছে।
অনেক ডাক্তারকে ধর্ম কর্ম করতে দেখি। রোগীর প্রতি নির্মম হয়ে ধর্মীয় কর্তব্য সম্পাদন বলা চলে না। এদের দেখে যদি ভক্তি করি তবে এটা হবে আমার ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞতার লক্ষণ। ‘রামায়ণে দেবতা নিজেকে খর্ব করে মানুষ করেননি, মানুষই নিজ গুণে দেবতা হয়ে উঠেছেন।’ আমাদের ডাক্তার বন্ধুরা লোভকে লাগাম পরালেই দেবতা হতে পারেন।
লেখক: সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় বিশ্লেষক
(বাংলা ট্রিবিউন এর সৌজন্যে)