অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ নিয়ে আমরা চিন্তিত নই : সাকিব

আপডেট: জুন ২০, ২০১৯, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ক্যারিবিয়ানদের চেয়ে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণ আরও ধারালো। বিশেষ করে মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সের গতির ঝড় সামলানো বড় চ্যালেঞ্জের। পুরনো বলে যে কোন সময় বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন তারা। ক্যারিবিয়ানদের হারানো বাংলাদেশ অবশ্য এই পেস আক্রমণ নিয়ে খুব একটা ভাবছে না! সাকিব আল হাসানের কণ্ঠে মিললো তেমন আত্মবিশ্বাস।
মঙ্গলবার টন্টনের সুখস্মৃতি নিয়ে নটিংহ্যামে পৌঁছানো বাংলাদেশ দলের সবার চোখগুলো জ্বলজ্বল করছিল। তার ওপর তাদের আত্মবিশ্বাসটা আরও তুঙ্গে থাকার আভাস মিললো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলার আগে। অবশ্য এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বিধ্বংসী বোলিং আক্রমণ এই অস্ট্রেলিয়ারই। সবোর্চ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় সেরা পাঁচের মধ্যে রয়েছেন মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স। স্টার্ক নিয়েছেন ১৩ উইকেট ও কামিন্স ১১টি। কম যাচ্ছেন না কেন রিচার্ডসনও। শেষ দুই ম্যাচে মাত্র ২১ গড়ে এই পেসার নিয়েছেন ৫ উইকেট।
তবে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ১২৪ রানের মুগ্ধতা ছড়ানো ইনিংসের পর অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী পেস বোলিং আক্রমণও বড় কিছু মনে হচ্ছে না সাকিবের কাছে, ‘অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিং আক্রমণ নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। গত চার ম্যাচে আমরা বিশ্বকাপের সেরা পেসারদের বিপক্ষে খেলেছি। প্রতিটি দলে ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করে এমন কিছু বোলার ছিল। তাদের বিপক্ষে খেলে আমরা যথেষ্ট মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ের আত্মবিশ্বাস সঙ্গী করে সোমবার নটিংহামে পৌঁছেছে বাংলাদেশ। এখানেই অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে মাশরাফিরা। টন্টনের জয়ে পাঁচ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে এখন বাংলাদেশ। তাতে সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্নটা ভালোভাবেই টিকে আছে তাদের। অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারলে সেই পথটা আরও উজ্জ্বল হবে।
সেমিফাইনালে খেলতে কতটা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বাংলাদেশ, সেটা সাকিবের কথায় স্পষ্ট, ‘আমরা সেমিফাইনাল খেলতে চাই। এ লক্ষ্য নিয়েই বাকি ম্যাচগুলো খেলতে নামবো। বড় মঞ্চে খেলতে হলে সব দলকেই হারাতে হবে।’
যদিও নটিংহামের মাঠে হয়তো সবচেয়ে বড় পরীক্ষাটা দিতে হবে অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের বিপক্ষে। কারণ এখানেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসাররা আগুনে বোলিংয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন পাকিস্তানকে। এবারের বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে নটিংহামে ক্যারিবিয়ান পেস আক্রমণে পাকিস্তান মাত্র ২১.৪ ওভারে গুটিয়ে গিয়েছিল ১০৫ রানে। সেই মাঠে অস্ট্রেলিয়ার গতিময় বোলারদের বিপক্ষে নামার আগে নির্ভার বাংলাদেশ। অন্তত সাকিবের কথায় সেটাই ফুটে উঠেছে।-বাংলা ট্রিবিউন