আক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে রেহমানের বিদায়

আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৮, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


সাঈদ আজমলের সঙ্গে বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রেহমানের জুটিটা ভালোই জমে উঠেছিলো। পাকিস্তানের মিসবাহ উল হক যুগের অন্যতম অস্ত্র ছিলেন তিনি। প্রায় চার বছর আগে শেষ টেস্ট খেলে ফেললেও ক্রিকেটকে বিদায় বলেননি তখন। অবশেষে আক্ষেপ নিয়ে বিদায় বললেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে।
২২ টেস্টে রেহমানের শিকার ছিলো ৯৯। আর মাত্র একটি উইকেট পেলেই পাকিস্তানের হয়ে গড়তে পারতেন শত উইকেটের মাইলফলক। ইকবাল কাসিমের পর দ্বিতীয় বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে এমন কীর্তিটা আর শেষ পর্যন্ত গড়া হয়নি। বিদায় বলবার মুহূর্তে সেই আক্ষেপটা ফুটে উঠে তার কণ্ঠে, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলার সিদ্ধান্তটা সহজ ছিলো না। কিন্তু হৃদয়ে পাথর রেখেই এমন সিদ্ধান্তটা নিতে হলো।’
মিসবাহ যুগে অসাধারণ সব কীর্তির জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন রেহমান। যদিও তার অভিষেকটা হয়েছিলো ইনজামাম উল হকের সময়। ২০০৬-০৭ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তার ক্যারিয়ারের শুরু। ধীরে ধীরে আরও আগ্রাসী স্পিনাররা জ্বলে উঠতে থাকলে তাদের ছায়ায় ঢাক পড়ে যান তখন। দানিশ কানেরিয়া আসার পর পর বাদ পড়ে যান জাতীয় দল থেকে।
তবে মিসবাহ উল হক দায়িত্ব নিলে আরব আমিরাতে তার অন্যতম অস্ত্র হিসেবে প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠেন রেহমান। তখন সময় সাঈদ আজমলের বিকল্প হিসেবে মুগ্ধতা ছড়াতে থাকেন। ২০১১-১২ মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯টি উইকেট নিয়ে আলোচনায় ছিলেন। তখন সাঈদ আজমল শিরোনাম হয়ে থাকলেও তার কারণেই আবুধাবিতে দুর্দান্ত জয়টা পায় পাকিস্তান। ইংল্যান্ডকে ৭২ রানে গুটিয়ে দিতে ২৫ রানে ক্যারিয়ার সেরা ৬ উইকেট নেন রেহমান। ৩৮ বছর বয়সী রেহমানের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের শেষটাও হয়েছিলো অদ্ভূতভাবে। ২০১৪ সালের এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনটি অবৈধ ফুলটস দিয়ে সেই ম্যাচে নিষিদ্ধ হন বোলিংয়ে। এরপর আর ওয়ানডে দলে ডাক পাননি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় দিলেও রেহমান খেলে যাবেন ঘরোয়া ও টি-টোয়েন্টি অঙ্গনে।-বাংলা ট্রিবিউন