আত্রাইয়ে ইসলামী জালসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: নিহত ১ আহত ৭

আপডেট: মার্চ ১১, ২০১৮, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ

নওগাঁ প্রতিনিধি


নওগাঁর আত্রাইয়ে ইসলামী জালসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও ৭ জন আহত হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামে ‘নওদাপাড়া হামিদিয়া নূরানী হাফেজিয়া মহিলা মাদ্রাসা’ নামে একটি মাদ্রাসা রয়েছে। এ মাদ্রাসার নতুন ও পুরাতন কমিটির মাঝে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছে বেশ কিছুদিন পূর্ব থেকে। গত শুক্রবার ওই মাদ্রাসায় ইসলামী জালসা অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে নতুন কমিটি। পুরাতন কমিটির কিছু লোকজনের বিরোধিতা করে সেখানকার ডেকোরেশনের আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় জালসার পক্ষের লোকজন বাধা দিতে গেলে দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সংঘর্ষে নওদাপাড়া গ্রামের আলাবক্স (৪২), তার ছেলে শাহিন (২৫), কাদিরের ছেলে জাভেদ (৩২), সুরুজ আলীর ছেলে আবু বক্কর ছিদ্দিক (২৪), নজিবর মন্ডলের ছেলে আবুল মন্ডল (৪৫), আবুলের ছেলে শান্ত (১৬), আমজাদের ছেলে জাহিদুল (৩২) সহ ৮ জন আহত হন।
আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে শাহিনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ওই দিনই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শনিবার বেলা ১২ টার দিকে শাহিন মারা যায়।
এদিকে শাহিনের মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছলে নওদাপাড়া গ্রামে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। সংবাদ পেয়ে আত্রাই থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোবারক হোসেন বলেন, শাহিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবুল মন্ডলের স্ত্রী রওশন আরাকে (৩৭) আটক করা হয়েছে। এ ছাড়াও তিনজনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশি নজরদারীতে রাখা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ৮-১০জনকে আসামি করে আত্রাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ