আম গাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০১৯, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ

বাঘা প্রতিনিধি


রাজশাহীর বাঘায় রাতের অন্ধকারে শত্রুতা করে পৃথকভাবে ৫ ব্যক্তির মাঠে সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে রোপণ করা ৮২টি বিভিন্ন জাতের আম গাছ কেটে সাবাড় করে দেয়া হয়েছে। ঈদের দিন সোমবার (১২ আগস্ট) রাতের অন্ধকারে কে বা কারা শত্রুতা করে এ আম গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আড়ানী পৌর এলাকার কুশাবাড়িয়া-গোচর মাঠের জামনগর খেয়াঘাটের পূর্বদিকে।
জানা যায়, বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার কুশাবাড়িয়া গ্রামের ও আড়ানী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক দেড় বিঘা জমিতে ২০টি, ফজলুল হক তিন বিঘা জমিতে ৪৪টি, আড়ানী ডিগ্রী কলেজের অফিস সহকারি তোফাজ্জল হোসেন ৮ কাঠা জমিতে ৭টি, মিলন আলী ৭ কাঠা জমিতে ৫টি, বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর গ্রামের আকরাম হোসেন ৬ কাঠা জমিতে ৬টি পৃথকভাবে মোট প্রায় সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে ১ থেকে ৩ বছর আগে বিভিন্ন জাতের আম গাছ রোপণ করেন। এ আম গাছ রাতের আধারে কে বা কারা শত্রুতা করে কেটে দিয়েছে।
এ বিষয়ে আড়ানী ডিগ্রী কলেজের অফিস সহকারি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমার কারও সঙ্গে কোন শত্রুতা নেই। তারপরও মাজা পর্যন্ত গাছ রেখে সব গাছগুলো কেটে দেয়া হয়েছে।
কুশাবাড়িয়া গ্রামের আম গাছের আরেক মালিক ফজুলল হক বলেন, আমার রোপন করা ৪৪টি গাছে চলতি মৌসুমে ৮ মণ আম ধরেছিল। এগুলো ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।
আড়ানী পৌরসভার কুশাবাড়িয়া গ্রামের ও আড়ানী ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক প্রশাসনকে অবহিত করবেন বলেন জানান।
আড়ানী পৌরসভার কুশাবড়িয়া গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম বলেন, ৫ ব্যক্তির মাঠে রোপণ করা গাছ রাতের আধারে কে বা কারা কেটে সাবাড় করে দিয়েছে শুনেছি। এ বিষয়ে তাদের আইনী ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি।
বাঘা থানার তদন্ত ওসি আবদুল ওহাব বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ