আরিফুল হক কুমার সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০১৯, ১:৫৪ পূর্বাহ্ণ

দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকায় বুধবার প্রথম পাতায় প্রকাশিত ‘জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেফতার’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন অভিযুক্তের স্ত্রী শাহিনা বেগম।
তিনি এক প্রতিবাদ লিপিতে বলেছেন, বিভিন্ন সংবাদপত্রে আরিফুল হক কুমার সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি আরিফুল হক কুমার ও তার পরিবার এর ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে- মেসার্স রাকা এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম দরপত্রে অংশগ্রহণের জন্য সাউথ ইস্ট ব্যাংক থেকে নিয়ম মাফিক ২ কোটি ৫ লাখ টাকার পে অর্ডার গ্রহণ করে। এবং নিয়মমাফিক তিনি ব্যাংক থেকে উক্ত পে অর্ডার গ্রহণ করেন।
ম্যানেজার হিসেবে আরিফুল হক কুমার পে অর্ডার সনাক্তকরণ করেন। উক্ত পে অর্ডার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে রাকা এন্টারপ্রাইজের আর্থিক পর্যাপ্ততা (লিমিট) ছিল। যা সাউথ ইস্ট ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের গোচরিভুক্ত ছিল। পরবর্তীকালে নিয়মমাফিক আরিফুল হক কুমার সাউথ ইস্ট ব্যাংক থেকে অবসরগ্রহণ করেন ব্যাংক থেকে সকল সুবিধাসহ। অবসর নেয়ার পর সাউথ ইস্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অন্যায়ভাবে রাকা এন্টারপ্রাইজের অনুকুলে প্রদানকৃত পে অর্ডারে আরিফুল হক কুমারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্তকালে রাকা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলামকেও আসামী করা হয়। সাউথ ইস্ট ব্যাংকের দায়ের করা বিদ্বেষপ্রসূত মামলায় আরিফুল হক কুমারকে তার আইনজীবীর চেম্বার থেকে বাসায় যাওয়ার মুর্হূতে গ্রেফতার করা হয়। আরিফুল হক কুমার কখনোই দেশ ত্যাগের চেষ্টা করেনি। তার দেশ ত্যাগের খবরটি একেবারেই ভিত্তিহীন। ইতোমধ্যেই রাকা এন্টারপ্রাইজ উল্লিখিত পে অর্ডারের বিপরীতে সাউথ ইস্ট ব্যাংকে ১ কোটির টাকার উর্ধ্বে ফেরত প্রদান করেছে।
আরিফুল হক কুমারের বাড়িটি সাউথ ইস্ট ব্যাংকের স্টাফ হাউজ বিল্ডিং লোনের টাকায় নির্মিত। এবং তা সাউথ ইস্ট ব্যাংকের নিকট দায়বদ্ধ। আরিফুল হক কুমারের কোনো বিলাসবহুল গাড়ি নাই।
শাহীনা বেগম বলেন, আমি আরিফুল হক কুমারের স্ত্রী ও অ্যাডভোকেট আব্দুস সালামের কন্যা। অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে ব্যাংক লোনে কেনা অতিসাধারণ মানের একটি গাড়ি ব্যবহার করে থাকি যা রাজশাহীর প্রায় সকলেরই জানা। বাড়িটির জমি আমার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত।