ঈদকে সামনে রেখে সিংড়া-বারুহাস সাবমার্সিবুল সড়ক প্রতিদিন বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভীড়

আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৯, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ

এমরান আলী রানা, সিংড়া


সিংড়া-বারুহাস সাবমার্সিবুল সড়কে দর্শনার্থীদের ভীড়-সোনার দেশ

বৃহৎ চলনবিল সিংড়া-বাহাস ডুবন্ত এ সড়ক পর্যটকদের বিনোদনের জন্য নজর কাড়ছে। ঈদকে সামনে রেখে বাড়ছে পর্যাটকদের ভীড় ।
নাটোর সদর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে সিংড়া উপজেলা। সিংড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে একটু উত্তরে বালুয়া বাসুয়া মোড়, বর্তমানে এ মোড় চলনবিল গেট নামে পরিচিত লাভ করেছে।
এখান থেকে ভ্যানে, মটরসাইকেল কিংবা অটোতে চড়ে যে কেউ যেতে পারবেন চলনবিলে। ভাড়া ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকায় সহজেই চলনবিল পর্যটনপার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র পযর্ন্ত গিয়ে দর্শনার্থীরা নৌকা যোগে তিশিখালী ঘাসি বাবার মাজারসহ চলনবিলে আগত দর্শনার্থীরা এই প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে।
জানা যায়,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীজুনাইদ আহমেদ পলকের প্রচেষ্টায় নির্মিত এ সড়ক অবহেলিত চলনবিলবাসীর জীবনযাত্রার মান বদলে দিয়েছে। ২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলনবিলবাসীর কষ্ট অনুভব করে একনেক এর অনুমোদন করেন। ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪ কিলোমিটার রাস্তা নির্মিত হয়েছে।
প্রতিদিন সাবমার্সিবুল সড়কে বিভিন্ন অঞ্চলের দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে। বিশেষ করে ছুটির দিনে ভীড় বেশি হয়। শতশত মানুষ অবসরে চলে আসেন। নৌকায় চড়ে বেড়ানোর মজা উপভোগ করেন।
কথা হয় কয়েকজন দর্শনার্থীদের সঙ্গে তারা বলেন, অবসরে তারা শহরের শব্দ দুষণ মুক্ত চলনবিলে এসে প্রান ভরে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। কেউ কেউ তিশিঘালি মাজার দেখতে আসেন। প্রতি ঈদেই দেখা দেয় উপচেপড়া ভীড় কোথায়ও একটু জায়গাও খালি থাকেনা। চলনবিলে নৌকা ভ্রমন নিরাপদ করার প্রয়োজনে লাইফ সাপোর্ট জ্যাকেট রাখার প্রয়োজন বলে জানান এখানে আসা দর্শনার্থীরা।