ঈদের ছুটিতে পাক্শীর জোড়াসেতু এলাকায় মানুষের ঢল

আপডেট: জুন ৮, ২০১৯, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি


ঈদের ছুটিতে পাক্শীর জোড়াসেতু এলাকায় মানুষের ঢল-সোনার দেশ

এবারের ঈদুল ফিতরের দিন, পরের দিন এমনকি ঈদের একদিন পরও ঈশ্বরদীতে দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। বারবার বৃষ্টির হানাও ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করতে পারেনি মানুষকে। প্রস্তাবিত পর্যটন এলাকা ঈশ্বরদীর পাকশী জোড়া সেতু এলাকায় ঈদুল ফিতরের ছুটিতে হাজারে মানুষের ঢল নামে, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের মিলনমেলায় পরিণত হয় পদ্মা নদীর পাড়ে। ঈদের দিন বিকেল থেকে শুরু করে গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতু এলাকা মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকা এমনকি কিছু বিদেশি নাগরিকরাও এবার এসেছিলেন পাকশীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে। ঈশ্বরদী ইপিজেড, রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিদেশিরাও অবাক হয়েছেন এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে। অপরূপ সৌদর্যের লীলাভূমি পাকশীতে পরিকল্পিত ভাবে পর্যটকদের জন্য কোন স্থাপনা নির্মাণ করা না হলেও নৈসর্গিক এলাকা হিসেবে যে কোন বিশেষ দিনেই আনন্দ পিপাসু হাজার হাজার নারী-পুরুষ-শিশুরা ভীঁড় জমায় পাক্শীতে। পদ্মানদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা প্রাচীনতম রেলওয়ে বিভাগীয় শহর এবং রেল ও সড়ক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান দুটি সেতু পাকশীতে অবস্থিত হওয়ায় ঈদসহ যেকোন উৎসবেই এ এলাকায় ব্যাপক লোক সমাগম ঘটে বলে জানান এই এলাকার নবীণ-প্রবীণরা। পাকশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক বিশ্বাস জানান, বিশেষ দিন মানেই মানুষের প্রাণের মিলন মেলা বসে পর্যটন এলাকা খ্যাত পাক্শীতে। এলাকাবাসী জানান, চলমান এ রেওয়াজের ব্যতিক্রম ঘটেনি এবারের ঈদ উৎসবেও। ঈদুল ফিতরের দিন বিকেল থেকে পাক্শীর জোড়া সেতু এলাকায় ভ্রমণ পিপাসুদের উপস্থিতিটা অন্যান্য বারের চেয়ে কোন অংশে কম ছিলনা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ