ঈদের ছুটি শেষে ফিরছে কর্মস্থলে || সর্তকতার সাথে পথযাত্রা শেষ হয়

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৭, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে অফিস-আদালত খুলতে শুরু করেছে। গতকাল সোমবার থেকে কিছু কিছু অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে শুরু করেছে। তবে উপস্থিতির সংখ্যা কম। গ্রামে থাকা প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ উদযাপন শেষে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। অনেকে ভিড় এড়াতে ঈদের আগে বাড়তি ছুটি নিয়েছেন। যারা ছুটি নেন নি তারা কর্মক্ষেত্রের তাগিদেই ফিরেছেন।
রেল-সড়ক ও নৌপথে নির্বিঘেœ রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে ফিরছেন। তবে ফেরা জন্য সবার জন্য সর্তকতার সাথে হয়। এটাই প্রত্যাশা। কারণ এবার দুঘর্টনা ঘটেছে। তবে খুব বড় আকারে ঘটেনি। আবার যানজটের মুখে পড়তে হয়েছিল নাড়ীর টানে ঈদ করতে আসা মানুষদের। তবে আশা করা যায়। ফেরার যাত্রাটা যেন যানজুটমুক্ত হয়।
অনেকেই ছুটি বাড়িয়ে গেছেন প্রিয়জনের কাছে। তাই অফিসপাড়া যেমন জমে ওঠেনি তেমনি পাড়া-মহল্লাও নীরব। সোমবার সকাল থেকেই কমবেশি মানুষ কর্মস্থলে যোগ দিতে আসছেন। তাই ভিড় বেড়েছে। রাজশাহী নগরীর বাস ও রেলওয়ে স্টেশনে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের স্রোত। যাত্রীবোঝাই ট্রেন ও বাস একের পর এক রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্য ছুটে যাচ্ছে। কেউ বা টিকিট না পেয়ে ছাদ, ইঞ্জিন, বাম্পার থেকে শুরু করে সবখানেই মানুষ আর মানুষ। যেমন ঝুঁকি নিয়ে ঘরে ফেরা তেমনি আসা। তারপরও ঘরে ফিরতে অনেকটা দুর্ভোগ হলেও ঈদের আনন্দ তেমন ভাটা পড়েনি।
অনেকে আবার ছুটি শেষ। তাই রাজশাহী পরিবার পরিজন ছাড়া নিজে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছেন। তবে সুতোয় যেন বারবার নাড়ির টান পড়ছে। বাবা-মা-ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের ছেড়ে আসাতে যেন কোন মতোই মন সায় দিচ্ছিল না তাদের। তারপরও কর্মস্থলে ফিরতে হবে। তবে এবার রাজশাহী থেকে ট্রেনে ফেরার চাহিদা বেশি। কারণ রাস্তায় কোন দুর্ঘটনা না ঘটলে, যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা না দিলে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় হয় না। তাই ভোগান্তি কমাতে যাত্রীরা ট্রেন যাত্রাকে বেছে নেয়। অনেকে আবার রাজশাহী থেকে বিমান যোগে ঢাকা ফিরছেন। তাই যেসব পথ দিয়ে যাত্রী যাক না কেন ? তাদের যাত্রা যেন কর্মস্থলে ফেরা নিরাপদ হয়। সেটাই আমাদের সকলের প্রত্যাশা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ