ঈশ্বরদীতে অসদাচরনের প্রতিবাদে সব ওষুধের দোকান বন্ধ || ইনসেপ্টা ও কেমিকো’র ওষুধ বর্জনের সিদ্ধান্ত

আপডেট: মে ৯, ২০১৭, ১:০১ পূর্বাহ্ণ

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি


ঈশ্বরদীতে সব ওষুধের দোকান বন্ধ করে বিক্ষোভ, প্রতীকী ধর্মঘট ও প্রতিবাদ সমাবেশের পর দুই কোম্পানির ওষুধ ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঈশ্বরদী ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতি। গতকাল সোমবার দুপুরে ঈশ্বরদীর সকল ওষুধ ব্যবসায়ী ও সমিতির সদস্যবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে সভা করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
ওষুধ ব্যবসায়ীরা জানান, গত রোববার সকালে শুভ্র ফার্মেসির মালিক সুব্রত কুমার দাস শুভ্রর সঙ্গে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি (রিপ্রেজেনটিটিভ) মহিরুল ইসলাম রতন ওষুধ ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে বাকবিত-ায় জড়িয়ে পড়েন ও এক পর্যায়ে শুভ্রকে গালিগালাজ করে চলে যান। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল সোমবার সকালে মাহবুব মেডিকেল নামের ওষুধের দোকানে ২০-৩০ জন ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিরা একজোট হয়ে এসে ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও মাহবুব মেডিকেলের মালিক মাহবুব হককে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও ওষুধ ব্যবসা বন্ধ করার হুমকি দিয়ে চলে যায়। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অসদাচরণ ও তাদের সমিতির সভাপতিকে গালাগাল করার প্রতিবাদে ঈশ্বরদীর সব ওষুধ ব্যাবসায়ীরা তাদের সকল ওষুধের দোকান বন্ধ করে দেয়। একপর্যায়ে দুপুরে শহরের রেলগেট এলাকায় ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ঈশ্বরদী ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সুজন জানান, বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি পাবনা জেলা শাখার সভাপতি মাহবুবুল আলম মুকুলের সঙ্গে পরামর্শ করে এই সমাবেশ থেকে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড ও কেমিকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড এই দুই ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের ঈশ্বরদী থেকে প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত ঈশ্বরদীর ওষুুধ ব্যবসায়ীরা ওই দুই কোম্পানির ওষুধ ক্রয়-বিক্রয় না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এ বিষয়ে ওষুধ রিপ্রেজেনটিটিভ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, এসব ঘটনার পর হাসপাতালের সামনে কয়েকজন স্থানীয় যুবক ইনসেপ্টার বিক্রয় প্রতিনিধি মহিরুল ইসলাম রতনকে মারধর করার জন্য খুঁজছিল। খবর পেয়ে আমরা তাকে মারধরের হাত থেকে রক্ষা করেছি। আমরা আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানেরও চেষ্টা করছি বলে জানান তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ