ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে পেটালেন যুবলীগের কর্মীরা

আপডেট: May 6, 2020, 11:33 pm

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি


ঈশ্বরদী পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম গোলবারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন স্থানীয় যুবলীগের কর্মীরা।
বুধবার ( ৬ মে) সকালে ঈশ্বরদী পৌর সুপার মার্কেটের সামনে দৈনিক সবজি বাজারে যুবলীগের কর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা গোলবার হোসেনকে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছন তিনি।
গোলবার হোসেনের ছেলে সনি জানান, পৌর মার্কেটের সামনে দৈনিক বাজারের ইজারাদার ও বাজার সংশ্লিষ্টদের নিকট থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল শহরের আমবাগান এলাকার আলমগীর হোসেন ও শফিকুল ইসলামসহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন। চাঁদা না দেয়ায় বুধবার (৬ মে) আমার বাবা আবুল কাশেম গোলবারকে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আলমগীর ও শফিকুল যুবলীগের বর্তমান কোনো কমিটির পদে নেই। তবে তারা যুবলীগের কর্মী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন। তিনি আরো জানান, পুলিশ হাসপাতালে এসে তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে গেছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত যুবলীগ কর্মী শফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লব জানান, আলমগীর ও শফিকুলসহ এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তারা কেউ যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তাদের দলে কোনো পদপদবি নেই। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমাল জানান, যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা এসব অকর্ম করছে তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। এরা যুবলীগের কোনো কমিটিতে নেই। আমি এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে নিন্দা প্রকাশ করছি।
ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইছাহক আলী মালিথা জানান, গোলবার একজন দক্ষ ও বিচক্ষণ আওয়ামী লীগ নেতা। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছেন। হাটের চাঁদাবাজির ঘটনা নিয়ে একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে নামধারী কিছু যুবলীগের কর্মী মারধর করবে এটি মেনে নেয়া যায় না। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগেও শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ