ঈশ্বরদীতে এবার ঈদ বাজারে পণ্য বিক্রির টার্গেট ১শ কোটি টাকা

আপডেট: জুন ১৩, ২০১৮, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি


ঈশ্বরদীতে এবার ঈদের পণ্য বিক্রির টার্গেট করা হয়েছে ১শ’ কোটি টাকা। গতকাল মঙ্গলবার ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাচ্চু আলাপচারিতায় এ কথা জানিয়েছেন। এদিকে ঈশ্বরদীর সবগুলো বিপণি বিতান, মার্কেট ও সব ধরনের দোকানে ঈদের বেচাকেনা বেশ জোরেশোরে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রতিদিন মধ্যরাত পর্যন্ত মানুষের পদভারে মুখরিত ঈশ্বরদী বাজার। ব্যবসায়ীরা জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ঈশ্বরদী বাজারে ঈদের বেচাকেনা বেশি। কারণ হিসেবে তারা জানান, মৌসুমি ফল লিচুর অন্যতম প্রধান উৎপাদনকারী এলাকা ঈশ্বরদী। এবার লিচুর মৌসুম শেষ হতে না হতেই ঈদের ব্যস্ততা শুরু। ঈশ্বরদীর বিভিন্ন গ্রামের মানুষের হাতেও এখন লিচু বিক্রির নগদ টাকা আছে যথেষ্ট। ঈদের কেনাকাটার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় ইতিবাচক প্রভাব। লিচু আবাদী কৃষক জালাল উদ্দিন জানান, এবার লিচুর উৎপাদন খুব ভালো না হলেও কয়েক লাখ টাকার লিচু বিক্রি করেছেন তিনি, এবার লিচুর মৌসুম শেষ হতে না হতেই ঈদের প্রস্তুতি ফলে তার পরিবারের সকলের ঈদ উদযাপনে কোন টেনশন নেই। স্থানীয়রা জানান, ঈশ্বরদীর ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩ টি ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষই কোন না কোন ভাবে লিচু উৎপাদন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। ঈশ্বরদী বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সাঈফ হাসান সেলিম জানান, এবছর মধ্য রমজান থেকেই বিক্রির ভাব ভালো। ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাজারে ক্রেতার সমাগম বাড়ছে। ক্রেতারা জানান, ঈশ্বরদী বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে ফিক্সড প্রাইস সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। তবে বড় বড় দোকানের ক্ষেত্রে এই অভিযোগ মানতে নারাজ দোকানিরা। মনির প্লাজার সবচেয়ে বড় ফ্যাশান হাইজ নবীন ফ্যাশানের স্বত্বাধিকারী রবিউন নবী জানান, দেশি বিদেশি আনকমন প্রচুর আইটেম এবার সংগ্রহ করা হয়েছে। ঈদের জন্য আলাদাভাবে গত ২ মাস ধরে তারা নানারকম বৈচিত্রময় তৈরি পোষাক সংগ্রহ করেছেন, এক্ষেত্রে দামতো একটু বেশিই হবে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের এসব কথার বাইরে সব মিলিয়ে ঈশ্বরদীর ঈদের বাজার একটু বেশিই জমজমাট বলে মন্তব্য করেছেন সবাই।