উপজেলা নির্বাচন গোদাগাড়ীতে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ব্যস্ত অভিযোগ নিয়ে

আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৯, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি


রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বদিউজ্জামান ভোট চাওয়ার চেয়ে বেশি ব্যস্ত আ’লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে। এতে করে তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েছেন। স্থানীয় আ’লীগ নেতাকর্মিরা বলেন, উপজেলা আ’লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বদিউজ্জামান উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় আনারস প্রতীকে ভোট চাওয়ার চেয়ে আ’লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে বেশি।
গত শনিবার উপজেলা রিশিকুল ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী বদিউজ্জামান আ’লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথ্য বলতে গেলে স্থানীয় আ’লীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে ওই এলাকা ত্যাগ করেন।
গোদাগাড়ী পৌর আ’লীগ সভাপতি অয়েজউদ্দীন বিশ্বাস বলেন, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিজে জেতার চেষ্টা না করে নৌকা ডুবাতে তৎপর রয়েছে। কিন্ত ভোটারদের নৌকার পক্ষে জোয়ার সৃষ্টি হওয়ায় নৌকার জয় নিশ্চিত।
উল্লেখ্য, গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় ফরম সংগ্রহ করেছিল ৫ জন। এদের মধ্যে আ’লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমকে মনোনয়ন দেয়া হয়। তবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তর বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয় বদিউজ্জামান। এজন্য উপজেলা আ’লীগ সভাপতির পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকেই বদিউজ্জামান আ’লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে অপপ্রচার চালাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। গোদাগাড়ী পৌর যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, জাহাঙ্গীর আলমের আ’লীগ পরিবারে জন্ম হওয়ায় স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। ছাত্রলীগ.যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করায় স্থানীয় নেতা কর্মীদের মাঝে তার সুনাম রযেছে। অথচ বদিউজ্জামান একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাতকার দিতে গিযে বলেন জাহাঙ্গীর আলম বিএনপি থেকে এসেছে। এটি চরম মিথ্যাচার। এই যুবলীগ নেতা আরো বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে বদিউজ্জামান দলে সক্রিয় হয়। সাংগঠনিকভাবে বিষেশ্লষণ করতে গেলে আওয়ামীলীগে অবদান বেশি জাহাঙ্গীর আলমের।
স্বতন্ত্র প্রার্থী বদিউজ্জামান তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় তাকে বাধা দেয়া হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে সহকারী নির্বাচন রিটানিং অফিসার ও গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মসিউর রহমান বলেন, কোন পক্ষই অভিযোগ করেনি। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এবার উপজলা নির্বাচনে গোদাগাড়ীতে চেয়ারম্যান পদে জাহাঙ্গীর আলম (নৌকা), বদিউজ্জামান (আনারস) ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দীন বিশ্বাস (লাঙ্গল), ওয়াকার্স পাটির সাইদুর রহমান (হাতুড়ী)।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ