এক রহস্যময় গল্প

আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৮, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

ফারদিন শামস তিমির


তোমরাতো জানো বাংলাদেশ খুব সুন্দর দেশ। এখানে কোনো ঝগড়া-বিবাদ মারপিট হয় না। একদিন আমি ও আমার বন্ধু তাইরাত কথা বলছি।
আমি: রহস্য বলে সত্যি কি কিছু আছে ?
তাইরাত: আমার মতে আছে কিন্তু আমি ংঁৎব না।
এই রহস্য সম্পর্কে কথা বলতে বলতে আমার আর এক বন্ধু শামসু এলো। তার কথা শুনি
শামসু: কী হলো ? তোরা কী সম্পর্কে গল্প করছিস ?
আমি: রহস্য সম্পর্কে
তাইরাত: রহস্য বলে কী সত্যি কিছু আছে ?
শামসু: হ্যাঁ আছে। মানুষ ট্রিয়ারজেকার নামে একটি রহস্য খুঁজে পেয়েছে ।
আমি ও তাইরাত,এ্যাঁ, বল তাহলে
অনেক আগে ব্রিনজেটিম নামে একটি সবজি ছিলো। এটি নিয়ে অনেক গবেষণা করেন আফগানিস্তানের এক গবেষক রিউরসিয়া। সে এটি নিয়ে গবেষণা করতে করতে একদিন হঠাৎ মারা গেলেন। কিন্তু কোন ? আসলে এটিই হচ্ছে রহস্য। অনেক চিন্তা-ভাবনা করলেন এটি নিয়ে ইগুসমারি, সেও রিউরসিয়ার মত গবেষণা শুরু করলেন। তিনিও একদিন হঠাৎ মারা গেলেন। কিন্তু কেন ? এরপর তার দুই ভাই ইবারগুড়া ও ইগদামপুরী গবেষণা করা শিখলেন। তার পর এটি নিয়ে গবেষণা করতে চান তার মামাতো ভাই রিয়ামবুড়। তিনিও গবেষণা করলেন। কিন্তু এরপর তারা তিনজনই অন্ধ হয়ে গেলেন। কিন্তু কেন ? এর পিছনে রহস্যটা কী?
এরপর সামসু আমাদের যা বলে : এরপর বড় দুজন গবেষক আমেরিকা থেকে এলেন। তাদের নাম খ্রিয় ও মিগ্রা। তারা গবেসণা শুরু করলে জানা যায় ১০০২ বছর আগে গেইযা নামে এক গবেষক অসুস্থ হয়ে শহিদ হন। পরপর তার ভাই বোন মামা ও চাচা গবেষণা করেন। তাদের দুইজন চোখের পানির লবণে অন্ধ হন আর বাকি দুইজন শ্বাসকষ্টে মারা যান। এরপর ক্রুগু নামে এক গবেষক এমন একটি যন্ত্র তৈরি করেন যাতে এই ঘটানাটি কেমন করে ঘটে তা ধরা পড়ে। কিন্তু তিনিও এরপর মারা যান। তার অনেক পরে আরো এই দুজন গবেষক এই গবেষণা করে এবং রহস্যটি খুঁজে বের করে ও কাঁচের ধারালো চপার যন্ত্র তৈরি করে। যার কারণে আর চোখে পানি ঝরে না,আর অন্ধও হয় না। তাই এই রহস্যটির নাম ট্রিয়ারজেকার,বুঝলি।
সামসু: ও বুঝতে পারিসনিতো,বুঝেছি। আরে এ হলো রহস্যময় পেঁয়াজ।
( লেখক : ফারদিন শামস তিমির,৫ম শ্রেণি,কলেজিয়েট হাইস্কুল রাজশাহী)