এবার থেকে শিশুদের জন্যও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা: পলক

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৮, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ

সোনারদেশ ডেস্ক


চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের মোকাবেলায় নতুন প্রজন্মকে প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। কেবল প্রোগ্রামার হতে নয়, বরং সমস্যা সমাধানে কুশলী হওয়ার জন্য প্রোগ্রামিং শিক্ষার কোনও বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করে আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, এবার থেকে শিশুদের জন্যও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) তাদের দুই মাসব্যাপী কম্পিউটার শিক্ষা, প্রোগ্রামিং ও প্রোগ্রামিংয়ে মেয়েদের আগ্রহী করতে নানা আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এজন্য দেশের প্রাথমিক পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বুধবার রাজধানী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন স্থানে হয়ে যাওয়া আওয়ার অব কোড, প্রোগ্রামিং ক্যাম্প, প্রোগ্রামিং আড্ডা, প্রতিযোগিতা ও গোলটেবিলের আয়োজক ও মেন্টররা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে গত ২ ফেব্রুয়ারি শিশুদের জন্য আয়োজিত স্ক্যাচ প্রোগ্রামিং দিবসে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি জানান, সরকারের উদ্যোগে হাইস্কুল পর্যায়ের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার পাশাপাশি এবার থেকে শিশুদের জন্যও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও জানান, তৃণমূল পর্যায়ে প্রোগ্রামিং ও কোডিংকে ছড়িয়ে দিতে চলতি বছর এক হাজার বিদ্যালয়ে শেখ রাসেল কম্পিউটার ল্যাব গড়ে তোলা হবে এবং আগামীতে আরও ১৫ হাজার অনুরূপ ল্যাব গড়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সিংড়া দমদমা স্কুলে শিক্ষার্থী সাখাওয়াত হোসেন এই প্রোগ্রামে অনুপ্রাণিত হয়ে তার এলাকায় একটি প্রোগ্রামিং ক্লাব গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে। এছাড়া তিন খুদে প্রোগ্রামার তাদের প্রোগ্রামিং শেখার কথা জানা এবং ভবিষ্যতে কেবল গেম খেলা নয়, গেম বানানোরও অঙ্গীকার করে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন লিডস সফটের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল আজিজ, শিওরক্যাশের সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন, ইন্টারনেট সোসাইটি ঢাকা চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক কাওছার উদ্দিন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তামান্না মোতাহার।
বিডিওএসএনের প্রোগ্রাম অফিসার শারমীন কবীর জানান, সারা বছর ধরে তাদের প্রোগ্রামিং উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন