এবার পুজার বাজারে ক্রেতাদের বেশি পছন্দ ভারতীয় কাতান

আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৮, ১:১১ পূর্বাহ্ণ

বনলতা সরকার


পূজোর বাজারে নারীদের কাছে ভারতীয় কাতানের প্রচুর চাহিদা-সোনার দেশ

আর কয়েকদিন পরই বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আর এই উৎসবকে ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা। তবে এবার রাজশাহীর বাজারে নারীদের বেশি পছন্দের তালিকায় রয়েছে ভারতীয় কাতান শাড়ি। তারপরই রয়েছে সিল্ক শাড়ি।
গতকাল বৃহস্পতিবার গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি অপেক্ষা করেও পুজোর কেনাকাটা করতে হিন্দুধার্মম্বলীদের বিভিন্ন মার্কেটে ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
সাহেববাজারের শাড়ির বিক্রেতা শের আলী জানান, স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি হচ্ছে বিক্রি। নতুন কালেকশন বলতে ভারতীয় কাতানের চাহিদা অনেক বেশি। বেচাবেক্রিও ভালো।
রাজশাহীর সপুরা সিল্কের বিক্রেতা ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান বলেন, প্রতি বছরের তুলনায় এবার পূজা উপলক্ষে অনেক বেশি বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে আমাদের শাড়ির চাহিদা অনেক বেশি।
সপুরা সিল্কের এক ক্রেতা আলপনা সাহা জানান, অনেক দিনের ইচ্ছা একটা সিল্ক শাড়ি ক্রয় করবো। তাই পুজা উপলক্ষে এখানে এসেছি। সেই সাথে জামাইবাবুর জন্য একটা পাঞ্জাবিও ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পছন্দ হলেই শাড়ি ও পাঞ্জাবি ক্রয় করবো।
নগরীর সাহেববাজারে ক্রেতা সম্পা দাস বলেন, বাজারে জুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতীয় কাতান শাড়ি। আমিও পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য কাতান শাড়ি ক্রয় করেছি। তবে আমার শাড়িটি সিল্কের নিয়েছি।
নগরীর আর.ডি.এ মার্কেটের শাড়ির ব্যবসায়ী মো. মডি বলেন, বাংলাদেশি শাড়ি এবার খুবই কম। নতুন কোনো কালেকশন নেই বললেই চলে। দেশি শাড়ি বলতে টাঙ্গাইল শাড়ি বিক্রি হচ্ছে। তবে তুলনায় খুুুুুুুুুুুবই কম। আর এবার ভারতের কাতান শাড়ির প্রতি নারীদের চাহিদা একটু বেশি। তাই ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী কাতান শাড়ি বিভিন্ন রঙের সমারোহ রেখেছি। বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজার এবার দেশি শাড়ির নতুন সংগ্রহ না থাকার কারণ জানতে চাইলে মডি জানালেন, বন্যার কারণে তাঁতীরা কাজ করতে পারেনি। তাই কলেকশনে নতুনত্ব নেই। ক্রেতারা দোকানে এসেই বলে ভারতীয় শাড়ি দেখান।
এমন কথা জানিয়ে সাহেববাজারের পোশাক বিক্রেতা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, দেশি শাড়ি দিনে দুই থেকে তিনটা বিক্রি করি। বাকি সব ভারতীয়। তবে ব্যবসা খুব ভালো হচ্ছে।
আর.ডি.এ মার্কেটে ক্রেতা চৈতি পাল বলেন, বাজারে অনেক তুতিয়ান কালেকশন এসেছে। আর শাড়িগুলো পূজোতে পড়ার মত। তাই পুজোর দিন যতই ঘনিয়ে আসছে। আমাদের ক্রেতার সংখ্যাও বাড়ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ