কিছুনা

আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০১৯, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ

নাজিম খোকন


একটুখানি উষ্ণতা দাও
নলেনগুড়ের পায়েস
আর ছিটাপিঠা
পেপুল শাকের ঘণ্ট দিও
একটুখানি বুকের ভিতর
দু’বাহুতে জড়িয়ে ধরো
জাড়ের রাতে বুকের উপর
লেপ হ’য়ে যাও
মালশায় তপ্ত আগুন
ঘরের ভেতর
বুকের ভিতর
ওম হ’য়ে রাত ঘুম হ’য়ে যাও
অনেক দূরের বিরহী বাঁশি
পুরোনো গান
সবই তুমি
তোমার ভিতর রাগ রাগিনী
একটুখানি ছেনাল হ’লে কিইবা ক্ষতি
প্রিয়ংবদা লক্ষীটি মোর
তুমি-আমি
যে যা বলুক সে শকুনি
কুন্তলা গো খোঁপায় গোঁজো ধুতরা ফুল
কল্কি আনো ফুলকি উঠুক
বিশ্ব দুলুক ও নন্দিনী
স্তনে বলক ছলক নাচুক
নূপূর বাজুক দু’পায়ে অই
ভাড়ের ভেতর মদমহুয়া
নাচি তা থৈ
দিব্যি দিলাম শীব ঠাকুরের
আমিও শীব পারদর্শী ব্রহ্মকলায়
ছলাকলা রাখ দূরে রাখ
নাগর আমি নগর পিতা প্রেম নগরে
কৃষ্ণ লীলা আমার ভেতর
বিভোর আমি তোমার প্রেমে
বাঁধবে নাকি রাধবে আমায়
গরম তেলে
তেলের স্রোতে ভেসে যাবো বেন্দাবনে
নলেনগুড়ের সরোবরে
মানষ সরোবার যারা বলে
সেইতো এই বুকের মাঝে
সারাটিদিন ডুবে আছি
জন্ম থেকে
আর উঠিনি ও নন্দিনী
যে বোঝোনা জন্ম এমন
হয় এবং হ’তে পারে
নিখিল অখিল ব্রহ্মান্ডব্যপি আমিইতো সে
প্রনাম ক’রি তাই আমাকে
আমাতে তাই শুন্য দেখি
যোগ বিয়োগ আর গুনে ভাগে
চোখে নয়তো চালশা ভরা
এইতো সত্যি সৎ কথা এইই
আমার ভাড়ে শুন্য শুধু
গুণের ভিতর শুন্য বুঝি
আমার সে গুন
হাসি খেলি কান্না করি
আমিই রাধা আমিই হরি
নলেন গুড়ের পায়েস আমি
আদি এবং অন্ত আমি
ভূলোক দ্যূলোক সব খানেতেই
প্রেমে আর অপ্রেমে আর চোরের মতো
শুন্য খুঁজি গোঁয়ার্তুমি
হেসে হেসে নেচে নেচে
নাচাই আমি তোমায়-আমায়
এবং শেষে নলেনগুড়ের শুন্যতা খাই
বিড়াল হ’য়ে পাখী হ’য়ে
পা দু’টি তাই হেঁটে হেঁটে
শুন্য হ’য়ে শুন্যতা ছোঁয়
বুকের ভেতর আমারি বুক
আমারি সুখ আমারি দুখ্
তোমারি দুখ্ তোমারি সুখ্
নলেন গুড়ের শুন্যপায়েস
সর্বদা খাই সর্বদা পাই
আমার ভেতর ভূবন আর সৌরজগৎ
ব্রহ্মা আমি
সৃষ্টি ক’রি তোমায় আমি
ও প্রেমিকা ওহে প্রেমিক
আমার ভেতর নিজেই আমি
বাঁচি ম’রি
নলেনগুড়ের পায়েস খাই
পিপুল ঘন্টে চন্ডে চন্ডে
শুন্যতার আহ্ বৈভবে