গলায় ফাঁস দিয়ে নার্স ও লাফিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা

আপডেট: মে ১৭, ২০১৮, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীর পৃথক দুটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে নগরীর লক্ষ্মীপুরের ‘রাজশাহী মডেল হাসপাতাল’ ও বহরমপুর এলাকায় এ ঘটনাগুলো ঘটে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ব্রাদার (নার্স) শরিফুল ইসলাম (৩৫) গলায় ফাঁস দিয়ে ও ঝিনাইদহ সদরের মৃত মীর আবুল বাসারের মেয়ে সাথী খাতুন (১৭) ক্লিনিকের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে। সাথীর মা রাবেয়া খাতুন জানান, তার তিন মেয়ের মধ্যে সাথী ছোট। সম্প্রতি তার বিয়ে হয়েছে। তার চর্মরোগ ছিলো। পাশাপাশি মানসিক সমস্যাও রয়েছে। চিকিৎসার জন্য তাকে ক্লিনিকে নিয়ে আসা হয়েছিল।
স্থানীয়রা জানায়, টয়লেটে যাওয়ার নাম করে দুপুরে হঠাৎ করেই ক্লিনিকের পাঁচ তলার ছাদে উঠে সে। সেখান থেকে লাফ দিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হয়। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সাথীর ভাই মো. নাজিম বলেন, ওই ক্লিনিকের মেডিসিন বিভাগের মিজানুর রহমানের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছিলো সাথী। সাথী এবছর ঝিনাইদাহের ডাক বাংলা আবদুর রউফ কলেজ থেকে এইচএসি পরীক্ষা দিয়ে ছিলো।
রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, বুধবার সকালে চর্মরোগের চিকিৎসার জন্য সাথীকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি হয়। তার সঙ্গে তার মাও ছিলেন। সে ওই ক্লিনিকের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক মিজানুর রহমানের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলো।
অন্যদিকে, বহরমপুর এলাকায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজ শয়নকক্ষ পারিবারিক কলহের জের ধরে নগরীর শফিকুল ইসলাম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। শফিকুল ইসলাম রামেক হাসপাতালে ব্রাদার (নার্স) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, স্ত্রীর সঙ্গে কলহের জের ধরে রামেক হাসপাতালের ব্রাদার শফিকুল ইসলাম আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ওসি আরো বলেন, সাথী ও শরিফুলের আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তÍ শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।