গোদাগাড়ীতে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা শেষ ত্রিমুখি লড়াইয়ের আভাস

আপডেট: মার্চ ৯, ২০১৯, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

একে তোতা, গোদাগাড়ী


বাম থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর, সালাহউদ্দিন ও বদিউজ্জামান সোনার দেশ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল রোববার। প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা শেষ হয়েছে। ভোটারদের হিসাব অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়াই হবে ত্রিমুখি। চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের জাহাঙ্গীর আলম ( নৌকা), জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দীন বিশ্বাস (লাঙ্গল),আ’লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র বদিউজ্জামান (আনারস), ওয়াকার্স পার্টির সাইদুর রহমান (হাতুড়ী), ভাইস চেয়ারম্যান পদে আবদুল মালেক (টিউবওয়েল), শফিকুল সরকার (তালা), মাহবুবুর রহমান (উড়োজাহাজ), তোহিদুল ইসলাম (লাঙ্গল), সালমান ফিরোজ ফয়সাল (টিয়া পাখি) প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে। বিনা প্রতিদ্বন্বীতায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সফিয়া খাতুন মিলি। এতে করে পুরুষ প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় নারী ভোটারদের মাঝে সাড়া ফেলতে পারেন নি। তাই ভোট কেন্দ্র নারী ভোটাদের উপস্থিত কম হবে এমন শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে প্রচার প্রচারণায় আ’লীগের জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় পাটির অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দীন বিশ্বাস ও আ’লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র বদিউজ্জামান জোরালো থাকলেও খুব একটা দেখা যায়নি ওয়াকার্স পাটির সাইদুর রহমানকে। এইজন্য ভোটাররা ধারনা করছে লড়াই হবে নৌকা, লাঙ্গল ও আনারস প্রতীকের মধ্যে।
আ’লীগ মনোনীত চেয়ারমস্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আ’লীগের সরকারের আমলে গোদাগাড়ী উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন হওয়ায় ৩০ ডিসেম্বর নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোট দিয়ে ওমর ফারুক চৌধুরীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো ভোটাররা আমাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবে। জাতীয় পাটির প্রার্থী অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দীন বিশ্বাস বলেন, আমি দীর্ঘ সময় থেকে তৃণমুল মানুষের সেবা করে আসছি। তাই গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিবে।
আর স্বতন্ত্র প্রার্থী বদিউজ্জামান বলেন, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি হওয়ার সুবাদে সব সময়ের জন্য জনগণের পাশে ছিলাম। ভোট চাইতে গিয়ে যেভাবে সাড়া পেয়েছি আমি নিশ্চিত ভোটাররা আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবে। এদিকে ভাইস চেয়ারম্যান টিউবওয়েল, তালা ও উড়োজাহাজের প্রতীকের মধ্যে লড়াই হওয়ার আভাস দিলেও জয়ের ব্যাপারে এগিয়ে রাখছে ক্লিন ইমেজের আবদুল মালেককে। প্রথম ধাপে ১০ মার্চ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্ততি সম্পর্ণ করেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শিমুল আকতার বলেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্র পুলিশ ও আনসার সদস্যরা নিয়জিত থাকবে। এছাড়াও বিজিবি সদস্যরা টহল দিবে ভোট কেন্দ্রের আশেপাশে। নিবার্হী মাজিস্ট্রেটের নেতৃত্ব একাধিক ভ্রম্যমাণ আদালত নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়জিত থাকবে। নির্বাচন সহকারী রিটানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, ভোট গ্রহণের কাজে নিয়জিত প্রিজাইডিং অফিসাররা শনিবার উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে ব্যালট পেপার, বক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে বিকেলে ভোট কেন্দ্রে যাবে। উপজেলার দুইটি পৌরসভা ও নয়টি ইউনিয়নে মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৯৪টি। আর মোট ভোটার হচ্ছে ২লাখ ৩৮ হাজার ৩৪ ভোট।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ