চলন বিল সারা বিশ্বের কাছে একটি অর্থনৈতিক এলাকায় পরিণত হবে:আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক

আপডেট: জুন ১২, ২০১৮, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ

সিংড়া প্রতিনিধি ও নাটোর অফিস


সিংড়ার রানীনগরে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনিকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক-সোনার দেশ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ৬৪ জেলার তরুণ-তরুণীদের ভবিষতে আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে দেশে ৭টি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার সারা দেশে হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপন করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নাটোরের চলনবিলের প্রায় ৮০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় সাড়ে তিনশ কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যা আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে শেষ হবে। এই প্রকল্পে বাস্তবায়ন হলে প্রায় ২০ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে যা চলমান থাকবে। তিনি আশা করেন এই চলন বিল সারা বিশ্বের কাছে একটি অর্থনৈতিক এলাকায় পরিণত হবে।
এর মধ্যে রয়েছে নাটোর, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা। এই ৭ টি জায়গায় ৩শ ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনিকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ণ হলে আগামী ২০২১সালরে মধ্যে দেশের আইসিটি সেক্টরে এক মিলিয়ন তরুণ-তরুণীর র্কমসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই খাত থেকে বছরে ৫বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জন করা সম্ভব হবে। তিনি গতকাল সোমবার দুপুরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার রানীনগর এলাকায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনিকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিপুল কুমারের সভাপতিত্বে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের শেখ কামাল আইটি পার্কের প্রজেক্ট ডিরেক্টর গৌরি শংকর প্রসাদ, সিংড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, সিংড়া উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ মোহম্মদ ওহিদুর রহমান, শেরকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফুল হাবিব রুবেল প্রমুখ। উল্লেখ্য নাটোরের সিংড়ায় ১৫একর খাস জমির ওপর ৪৩ কোটি ৫৮ লাখ ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউিবেশন সেন্টার নির্মাণ করা হচ্ছে। এখান থেকে আগামী ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে । এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে ১হাজার তরুণ-তরুণীর র্কমসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ