বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চলে ধনেপাতার চাষ || কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন

আপডেট: November 16, 2019, 12:55 am

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি


চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চলে খেত থেকে ধনেপাতা তুলছেন কৃষকরা-সোনার দেশ

শীতকালীন সবজি হিসেবে ধনেপাতার চাষাবাদ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। বর্ষার পানি নেমে যাবার পরপরই চরাঞ্চলের পলি পড়া জমিতে ধনেপাতার আবাদ করা হয়। আর স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান করা হয়।
জানা গেছে, প্রতি বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা ও মহানন্দা বিধৌত চরাঞ্চলের চরবাগডাঙ্গা, সুন্দরপুর, দেবীনগর, ইসলামপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা স্থানীয় জাতের এই ধনেপাতার চাষ করে থাকে। শীতকালীন বিভিন্ন সবজির মধ্যে স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয় ধনেপাতা চাষ করেছে চলতি বছর ১’শ ২৫ হেক্টর জমিতে, পাশাপাশি ভাল ফলনও হচ্ছে । বিঘা প্রতি ফলন ৬-৮ মণ হয়ে থাকে এবং খরচ পড়ে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা ধনেপাতা ১৫ থেকে ১৭ হাজার টাকা দরে বিক্রি করতে পারছেন প্রান্তিক কৃষক। কৃষকদের বাড়তি আয় যেমন হয়. পাশাপাশি ধনেপাতা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের মাঝে।
সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের তেররশিয়া বৈরাপাড়া সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা ধনেপাতা তুলতে ব্যস্ত। সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত পাতাগুলো তোলা হয়।
ধনেপাতা ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন, বদর আলী ও মনসুর রহমান জানান, মজুরী দেয়া হয় জনপ্রতি ১’শ টাকা এবং এখানকার উৎপাদিত ধনেপাতার চাহিদা রয়েছে। ধনেপাতাকে সতেজ রাখতে বস্তায় বরফ দিয়ে ঢাকার কাওরান বাজারে ঢাকাগামী বাসে প্রেরণ করা হয়ে থাকে। বস্তাপ্রতি (৭০/৮০ কেজি) খরচ হয়ে থাকে ২২’শ থেকে ২৩’শ টাকা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুরুল হুদা জানান, গত বছর জেলায় ২’শ ২৫ হেক্টর জমিতে ধনেপাতার চাষ হয়েছিল, এবছর এখন পর্যন্ত ১’শ ২৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যভাগ পর্যন্ত চাষাবাদের সময় রয়েছে। তিনি আরো বলেন, অল্প পুঁজিতে লাভ হওয়ায়, ধনেপাতা চাষে আরো আগ্রহী হয়ে উঠছে চরাঞ্চলের প্রান্তিক চাষিরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ