বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাচ্চু ডাক্তারের মরোণাত্তর একুশে পদক প্রাপ্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা

আপডেট: February 27, 2020, 1:09 am

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি


বাচ্চু ডাক্তারের মরোণাত্তর একুশে পদক প্রাপ্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় অতিথিবৃন্দ-সোনার দেশ

রাষ্ট্র ভাষা বাংলাকে মর্যাদা দেয়ার জন্য ১৯৪৮ সালে দাবি তুলেছিল সাধারণ ছাত্র সমাজ। পঞ্চাশ দশকে প্রথম দিকে ভাষা আন্দোলনের তীব্রতা বাড়তে থাকে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনে সম্পৃক্ত হন। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত তার যে অবদান রয়েছে, রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠনেও বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। বঙ্গবন্ধু যখন ভাষা আন্দোলন শুরু করেন, পরবর্তীতে সময় তা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর হিসেবে বাচ্চু ডাক্তার আন্দোলনে সম্পৃক্ত হন। একসময় তিনি কারাবরণ করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বাচ্চু ডাক্তার কখনোই বিচ্যুত হননি। মহান ভাষা আন্দোলনের তিনি একজন ছিলেন নির্ভীক কর্মী। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখায় বাচ্চু ডাক্তারকে একুশে পদকে ভূষিত করেছেন, আজ আমরা গর্বিত। ভাষাসৈনিক ও সাবেক সংসদ সদস্য আ.আ.ম মেসবাহুল হক বাচ্চু ডাক্তারের মরোণত্তর একুশে পদক প্রাপ্তিতে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। গতকাল বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরের মুজিব মঞ্চে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক এজেডএম নূরুল হক সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব দেন, বাচ্চু ডাক্তারের মেয়ে সংসদ সদস্য ফেরদৌসী ইসলাম জেসী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, পুলিশ সুপার এএইচএম আবদুর রকিব, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শংকর কুমার কুন্ডু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোসা. মনোয়ারা বেগম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মনিম-উদ-দৌলা চৌধুরী, ড. মাযহারুল ইসলাম তরু, চেম্বারের সভাপতি মোঃ এরফান আলী, বাচ্চু ডাক্তারের মেজো সন্তান সাবেক ছাত্রনেতা মেসবাহুল শাকের জ্যোতি।