চামড়ায় রফতানি আয় ১২৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার

আপডেট: July 24, 2017, 12:51 am

সোনার দেশ ডেস্ক


চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে সদ্য সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আয় হয়েছে ১২৩ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৯ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা। যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্যে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছিল ৩৮ কোটি ৮২ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৪৬ কোটি ৪৪ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের পণ্য রফতানি আয় ১৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়েছে। তবে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কাঁচা চামড়া রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৮ কোটি মার্কিন ডলার। এই সময়ের মধ্যে আয় হয়েছে ২৩ কোটি ২৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের কাঁচা চামড়া রফতানিতে আয় হয়েছিল ২৭ কোটি ৭৯ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায়ও সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে চামড়া রফতানি আয় ১৬ দশমিক ৩০ শতাংশ কমেছে।
প্রতিবেদনে আরো দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছিল ১১৬ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই খাতের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ কোটি মার্কিন ডলার।
২০১৬-১৭ অর্থবছরে চামড়ার জুতা রফতানিতে আয় হয়েছে ৫৩ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রফতানি আয় ৮ দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চামড়ার জুতা রফতানিতে আয় হয়েছিল ৪৯ কোটি ৪৮ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।
এ ছাড়া ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলারের রাবার রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলে আয় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৮৬ শতাংম কম। তবে এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এবার এই খাতের আয় ২০ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রাবার রফতানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। রাইজিংবিডি