জন্মভূমি ইংল্যান্ডেই ক্রিকেট একটা ‘বোরিং’ খেলা!

আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০১৮, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ফুটবলকে বলা যায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। ক্রিকেট আসে আরো অনেক পরে। কারণ, গোটা দুনিয়ায় খেলাটা চলে না। ১৬ শতকে দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডে খেলাটির উদ্ভব বলে মনে করা হয়। ১৮ শতকে ক্রিকেটকে ইংল্যান্ডের জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয়। এ সময়ই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে খেলাটি ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। বর্তমানে ক্রিকেটকে বিশ্বে আরো জনপ্রিয় করতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) নানাভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অথচ, নিজের জন্মভূমি খোদ ইংল্যান্ডেই মনে হয় জনপ্রিয়তা হারাতে বসেছে ‘ভদ্রলোকের খেলা’খ্যাত ক্রিকেট! সম্প্রতি প্রকাশিত একটি জরিপে জানা গেছে, ইংল্যান্ডের তৃতীয় বিরক্তিকর খেলা হচ্ছে ক্রিকেট।
সম্প্রতি ‘ইউগভ পুল’ দেশটির ১৬১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর একটি জরিপ চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে দি টাইমস। সেখানে দেখা যায়, ক্রিকেট অন্যতম মোড়লের দেশের ৫৮ ভাগ মানুষের কাছেই ক্রিকেট খেলাটা খুবই বিরক্তিকর। অথচ, ক্রিকেটকে ইংল্যান্ডের দুই জাতীয় খেলার একটি। জনপ্রিয়তাও নেহাত কম না। সদ্য সমাপ্ত অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪-০ তে হারের পর এই জরিপের খবর নিশ্চয়ই বড় একটা ধাক্কা জো রুটদের জন্য।
এদিকে জরিপের ফলাফল অনুযায়ী গলফ হচ্ছে দেশটির এক নম্বর ‘বিরক্তিকর’ খেলা। জরিপে ৭০ ভাগ মানুষ মনে করে, গলফ খুব বোরিং খেলা। ৫২ ভাগের কাছে তো খেলাটি ‘খুবই বিরক্তিকর’। দ্বিতীয় বিরক্তিকর খেলা হচ্ছে আমেরিকান ফুটবল ‘ন্যাশনাল ফুটবল লিগ’। জরিপে অংশগ্রহণকারী ৫৮ ভাগ মানুষের কাছে খেলাটি বিরক্তিকর।
তবে জরিপে সবচেয়ে কম বিরক্তিকর খেলা হিসাবে উঠে এসেছে অ্যাথলেটিক্স। ২৮ ভাগ অংশগ্রহণকারীর কাছে খেলাটি বিরক্তিকর। তবে, ৪৭ ভাগ মানুষ বলেছেন অ্যাথলেটিক্স খুবই উত্তেজনাপূর্ণ।
গত বছর ব্রিটিশ ওপেনে ষষ্ঠ স্থানে থাকা গলফার ম্যাথু সাউথগেট জরিপের ফলাফলের সাথে একমত হয়ে বলেছেন, ‘আমি সম্ভবত তাদের সাথে একমত। তবে কিছুটা ব্যাখ্যা হিসাবে বলতে চাই, গলফের ক্ষেত্রে, খেলাটি খুবই কম অনুষ্ঠিত হয়। আপনি যদি খেলার নিয়ম ও খেলোয়াড়দের না চেনেন, তবে এটা দেখাটা খুবই কষ্টকর।’ ১৭টি খেলার ওপর এ জরিপ চালায় ‘ইউগভ পুল’। এর মধ্যে মাত্র ৫টি খেলা ‘উত্তেজনাপূর্ণ’ বলে জরিপে উঠে এসেছে।