জমজমাট এখন মসলার বাজার

আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৯, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীতে জমজমাট এখন মসলার বাজার। ক্রেতাদের ব্যাপক চাহিদাতে দম ফেলার সময় নেই বিক্রেতাদের। গতকাল শক্রবার নগরীর সাহেববাজারের মসলার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, কয়েকদিন থেকে বেচাবিক্রি বেড়ে গেছে। এখন প্রতি মুহূর্তে ক্রেতারা আসছেন। বিশেষ করে বেলা ১২ টার আগে ও বিকেলে ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। বিক্রেতারা আরো জানাচ্ছেন, পাইকারি বেশি দামে কেনায় খুচরা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
গতকাল শুক্রবার নগরীর মসলার বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত মাসের চেয়ে বর্তমান সময়ে কয়েকটি মসলার দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। এর মধ্যে এলাচ কেজিপ্রতি বেড়েছে ৮০০ টাকা, দারুচিনি ৭০০ টাকা, জৈতি ফল ৮০০ টাকা বেড়েছে। এদিকে আগামী পরশু সোমবার ঈদ-উল আজহা। দেরি নেই এক মুহূর্ত। তাই মাংসের কারণে মসলার চাহিদা বেড়ে যায়। গতকাল বাজার ঘুরে দেখা যায়, এলাচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে, ২৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা, লং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, দারুচিনি ৩৫০০ থেকে ৪৫০০ টাকা, বড় এলাচ ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা, জৈতি ২৬০০ টাকা, আলু বোখরা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, জয়ফল ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, জিরা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ইস্টান মশলা ১২০০ টাকা, কিসমিস ৩৬০ থেকে ৪৫০ টাকা। এছাড়া রসুন আদাতে কেজি প্রতি বেড়েছ ২০ থেকে ২৫ টা। পেঁয়াজ প্রতিকেজি ৩৪ টাকা, রসুন ১৪০ টাকা, আদা ১৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সাহেববাজারের রয়েল স্টোরের মসলার দোকানের মালিক রাসেল আহমেদ জানান, কয়েকদিন আগের চেয়ে এখন দাম ও চাহিদা অনেক বেশি বেড়ে গেছে। এই সময় মসলার ব্যাপক চাহিদা থাকে তাই দাম কিছুটা বাড়তি হয়েছে। আমরা পাইকারি বেশি দামে কিনছি তাই খুচরা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
নগরীর স্বপন স্টোরের কর্মরত শফিকুল জানান, বর্তমানে বেচাবিক্রি অনেক ভালো। সব সময় ক্রেতা আসছে বিক্রি হচ্ছে। তাই সকল মসলার দ্বিগুন চাহিদা রয়েছে। দামের বিষয়ে তিনি জনান, আগের চেয়ে এখন সকল মসলার দাম বাড়তি আছে। সকালে যেমন তেমন বিকেলে ক্রেতাদের আনা গোনায় দম ফেলার সময় থাকছে না।
মসলা কিনতে আসা মিলি আকতার জানান, মসলার দাম এখন অনেক বেশি। এই জন্যই আমি আগেই কিছু মসলা কিনে রেখেছিলাম। গত মাসে প্রায় হাজার খানিক টাকার মসলা নিয়ে ছিলাম। আজ দাম দেখে তো মনে হচ্ছে, আগেই আরো বেশি করে মশলা কিনে রাখা উচিত ছিলো।