জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা

আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৮, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


ভোটের সাজে সেজেছে পুরো নগরী-সোনার দেশ

রাজশাহীতে জমে উঠতে শুরু করেছে সিটির নির্বাচনী প্রচারণা। প্রার্থীরা সকাল থেকে রাত অবধি নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচালনা করছেন তাদের প্রচার-প্রচারণা। এর বাইরেও মাইকিংয়ের মাধ্যমে চালানো হচ্ছে প্রচার-প্রচারণা। সারাদিন প্রার্থীদের পক্ষে চলছে মাইকিং। মোড়ে মোড়ে, অলি-গলিতে শোভা পাচ্ছে পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন। চলছে লিফলেটিং। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠছে চারপাশ। প্রার্থীদের পক্ষে কর্মীরা দলবেঁধে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন ভোট চাইতে। যে কেউ দেখে বলবে, জমে উঠতে শুরু করেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা।
প্রচারণার দ্বিতীয় দিন ছিলো গতকাল বুধবার। ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন আরডিএ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মাঝে গণসংযোগ করেন। আর বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল প্রচার-প্রচারণা চালানা কাশিয়াডাঙ্গার এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডে। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের নেতা মুরাদ মোর্শেদ ভুবনমোহন পার্ক শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এর বাইরেও ৫২ জন সংরক্ষিত আসনে এবং ১৬০ জন কাউন্সিলর তাদের স্ব-স্ব ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণা করছেন।
এখন নগরীর চিত্র ভিন্ন। নির্বাচনী আমেজে সেজেছে পুরো নগরী। অথচ গত সোমবারেও এ চিত্র ছিলো না। মঙ্গলবার প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা। প্রার্থীরা ব্যানার, বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও পোস্টার দিয়ে ছেয়ে ফেলেছে মহানগরী।
বুধপাড়া এলাকার ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ নজরুল ইসলাম জানান, দুই দিন আগেও এ চিত্র ছিল না। এখন যেদিকে তাকাই সেদিকেই শুধু দেখছি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার আমেজ। প্রার্থীদের কারো যেন অবসর নেয়ার সময় নেই। শুধুই ছুটে চলেছেন। আর ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে তো ছেয়ে গেছে পুরো মহল্লা। দেখে ভালোই লাগছে, এই আমেজ যেন শেষ দিন পর্যন্ত বজায় থাকে।
উপশহর এলাকার বাসিন্দা আফরোজা আকতার পলি বলেন, পুরো নগরীজুড়ে নির্বাচনী আমেজ দেখে ভালোই লাগছে। পুরো এলাকাজুড়ে পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। চলছে মাইকিং। তবে মাইকিংয়ের শব্দে কান ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে। এটা কিছুটা কমানো গেলে ভালোই হতো।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ