জলের ধারের মাছ

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

ফারদিন শামস তিমির


এক নদী ছিল। সে নদীতে বাস করত অনেক মাছ। তার মধ্যে কেউ লম্বা, কেউ খাটো আবার কেউ মাঝারি। এই মাছেদের মধ্যে ক্যাপ্টেন ছিলো সবচেয়ে খাটো মাছ। তাই তার সাথে লম্বা মাছের ঝগড়া হতো। আবার পরে তা ঠিকও হয়ে যায়।একদিন জলের ওই ধারের মাছ তাদের ঝগড়ার জন্য একটি চিঠি পাঠালো। চিঠিতে লেখা ছিল ‘ তোমাদের ঝগড়ার জন্য আমাদের ঘুম নষ্ট হয়। দশ দিনের মধ্যে তোমাদের ঝগড়া যদি না থামে তবে যুদ্ধ হবে’ এই শুনে সবাই লম্বা মাছকে দোষারোপ করল। কারণ, সে আগে ঝগড়া শুরু করত। দোষের জন্য লম্বা মাছ রেগে এই নদী ছেড়ে চলে গেল। এই নদীর পাশেই ছিল আরেক নদী ও এই নদীতে কোনো মাছ নেই। আছে কুমির। সেখানে সে গেল।যেতেই এক কুমির তাকে দেখে ফেললো। খেতে চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না। কারণ আরেক কুমির তাকে খেয়ে ফেললো। সে কুমিরের পেটে চলে গেল। যেয়ে দেখে তার পেটে আছে এক মরা মাছ। দেখে সে ভয় পেল। সে চিৎকার করতে লাগলো, পর দিন ওই কুমির তার গার্ল ফ্রেন্ডের বাড়ি গেল। তারা গল্প করল। হঠাৎ তার পেট থেকে চিৎকার আসছে ,বাঁচাও বাঁচাও। তার গার্ল ফ্রেন্ড চিৎকার শুনে বলে – এ তো মাছের কন্ঠ। তুমি মাছ খেয়েছো ? তোমাকে মাছ থেতে নিষেধ করেছি না। মাছ আমার পছন্দ না। খেতে হলে পেপসি, পেষ্ট্রি, কেক, বিরিয়ানি খাও মাছ কেন খেয়েছ ? কুমির বলে, সরি ! কিন্তু তুমি আমার উপর রাগ কর না । এই মাছ আমি বের করে দেব । এখনও হজম হয়নি। আসলে পেপসি খাইনি তো তাই। তা ছাড়া তুমি তো শুনলেই মাছের কণ্ঠ। গার্লফ্রেন্ড বলল, ঠিকাছে। বেশি বকবক কর না । এরপর কুমির নদীতে এলো ও মুখ থেকে মাছ বের করল। লম্বা মাছ ভুল বুঝতে পারল ও আগের নদীতে ফিরে গেল। এরপর সে কখনো ঝগড়া করেনি ।