জয়পুরহাটে করোনায় শত কোটি টাকা ক্ষতিতে পোল্ট্রি খামারিরা

আপডেট: April 25, 2020, 1:30 pm

জয়পুরহাট প্রতিনিধি :


জয়পুরহাটে পোল্ট্রি ভিলেজ খ্যাত আক্কেলপুর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন পোল্ট্রি খামারিরা করোনা পরিস্থিতিতে ব্যবসা বাণিজ্যে চরম বিপাকে পড়েছে। তাদের কোটি কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আক্কেলপুর উপজেলার মেসার্স সিনহা পোল্ট্রি অ্যান্ড হ্যাচারির ব্যবসায়ী খামারী হারুনুর রশিদ রাজা, একই উপজেলার জামালগঞ্জের আদিল পোল্ট্রি অ্যান্ড হ্যাচারির আরিফ ইফতেখার আহমেদ রানা, এস.বি পোল্ট্রি অ্যান্ড হ্যাচারির ইসমাইল হোসেন টুকু, জয়পুরহাট সদরের মেহেদী পোল্ট্রি অ্যান্ড হ্যাচারির আব্দুল মান্নান, পাঁচবিবি উপজেলার মেসার্স আশা পোল্ট্রি অ্যান্ড হ্যাচারির বেলাল চৌধুরী জানান, তাদের কারো ৫০ হাজার, কারো ১ লক্ষ, কারো ৪০ হাজার ডিম ও মাংসের রেডি মুরগি রয়েছে। ১টি ডিম তৈরি করতে উৎপাদন খরচ পড়ছে ৭-৮ টাকা, ডিম ও সোনালী বাচ্চা তৈরি করতে খরচ পরছে ১২ টাকা। তাদের ডিম বিক্রি করতে হচ্ছে ৪-৫ টাকায়। মাংসের মুরগি তৈরি করতে খরচ পড়ছে প্রতি কেজিতে ১৫০-১৬০ টাকা। বিক্রি করতে হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়। এছাড়াও বিভিন্ন রোগেও অনেক অনেক মুরগি মারা যাচ্ছে। এভাবে তাদের প্রত্যেকে খামারিকে এখুনি ৫০-৬০ লক্ষ টাকার ক্ষতি গুনতে হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে প্রান্তিক খামারিগণ ইতোমধ্যেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। তারাও ধুঁকতে ধূঁকতে দিন পার করছে। সার্বিকভাবে জেলার প্রায় ১০ হাজারের মতো খামারির শত শত কোটি টাকার লোকসান গুনছে।
এ ব্যাপারে জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুর রহমান জানান, জেলার প্রান্তিক চাষীসহ বড় খামারি ১০ হাজারের মতো। প্রান্তিক চাষীদের বাঁচিয়ে রাখতে যত দ্রুত সম্ভব আর্থিক সাহায্য দিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বড় খামারিদের সরকার ঘোষিত প্রণোদনা অনুযায়ী কম সুদের ঋণের আর্থিক সহায়তা দ্রুত আমাদের জেলায় পৌছাতেও অনুরোধ করেছি। জেলা প্রশাসক মো. জাকির হোসেন জানান, একই মতের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ উর্ধ্বতন পক্ষকে অবহিত করেছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ