টেকনিক্যাল ইন্টার্ন পদে জাপানে জনশক্তি রফতানি করবে বাংলাদেশ

আপডেট: মার্চ ১৩, ২০১৭, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


নির্মাণ ও উৎপাদনমুখী শিল্পের জন্য বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন (কারিগরি প্রশিক্ষণার্থী) পদে জাপানে জনশক্তি রফতানি করবে বাংলাদেশ।
প্রযুক্তি ও দক্ষতা হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে জাপান সরকার বাংলাদেশ থেকে শিক্ষানবিশ এসব টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নিতে যাচ্ছে বলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বাসসকে জানান।
২০২০ সালে টোকিও অলিম্পিক গেমসকে সামনে রেখে জাপানে প্রচুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এসব কাজে বাংলাদেশের জনশক্তি ব্যবহার করা হবে বলে সূত্র জানায়।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে গতকাল সকাল ১০টায় ইন্টারন্যাশনাল ম্যানপাওয়ার ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, জাপান (আইএম জাপান) এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি আজ বাসসকে বলেন, বাংলাদেশ জাপানের দীর্ঘ পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে জাপান সহায়তা দিয়ে আসছে। বাংলাদেশ থেকে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নেয়ার মাধ্যমে উভয় দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। জাপান সরকার টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নেয়ার ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ খরচ বাদে সব খরচই বহন করবে।
ভ্রাতৃপ্রতিম প্রতিবেশী দেশ থেকে এতোদিন ৩ বছর মেয়াদে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নেয়ার বিধান থাকলেও দেশটি এখন থেকে নেবে ৫ বছর মেয়াদে।
নতুন এই চুক্তিতে কন্সট্রাকশন ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন হিসেবে বাংলাদেশ থেকে যারা যাবেন তারা ৩ বছরের পরিবর্তে ৫ বছর জাপানে থাকতে পারবেন। প্রশিক্ষণার্থীরা ম্যানেজার, সুপারভাইজার পদেও কাজ করার সুযোগ পাবেন। প্রশিক্ষণকালীন তাদের উচ্চ সম্মানী দেয়া হবে এবং দেশে ফিরে আসার সময় এককালীন কিছু পুঁজিও দেয়া হবে।
২০১২ সালের জানুয়ারিতে জাপানের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন পদে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নেয়ার ব্যাপারে ‘জাপান ইন্টারন্যাশনাল টেকনিক্যাল কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন’- জিটকো’র মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। ওই সময় জিটকো’র দুই প্রতিনিধি ঢাকায় এসে একটি চুক্তিও করেন। গার্মেন্টসের ২৪ নারীকর্মী সেই সময় জাপানে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন হিসেবে যাওয়ার সুযোগ পান। পরে প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায়।-বাসস