বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

ডা. সৈয়দ সাফিকুল আলমের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালন ‘সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার লড়াকু এক ব্যক্তিত্ব ছিলেন ডা. সাফিক’

আপডেট: August 9, 2019, 12:47 am

নিজস্ব প্রতিবেদক


ডা. সৈয়দ সাফিকুল আলমের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শ্রদ্ধাঞ্জলি সোনার দেশ

ডা. সৈয়দ সাফিকুল আলম ছিলেন রাজশাহী সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তিনি একইসাথে যেমন মানবদরদি চিকিৎসক ছিলেন, একইসাথে রাজশাহী প্রগতিশীল আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্বও ছিলেন। তিনি সবসময় সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার লড়াকু এক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার চিন্তা ও চেতনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেয়া উচিত।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দ সাফিকুল আলমের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। নগরীর আলুপট্টির বঙ্গবন্ধু চত্বরে এর আয়োজন করে নগরীর সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো।
বক্তারা বলেন, ডা. সৈয়দ সাফিকুল আলমের মৃত্যুতে রাজশাহীর সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই শূন্যতা পূরণের জন্য তার চিন্তা ও চেতনার চর্চা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে। এইজন্য সবধরনের অপসংস্কৃতি, অশ্লীলতা ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান আলী বরজাহান, কবিকুঞ্জের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক কুমার, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, মহিলা পরিষদের সভাপতি কল্পনা রায়, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা উপাধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, নগর নির্মূল কমিটির নির্বাহী সভাপতি ড. সুজিত সরকার, নাট্যজন কামারুল্লাহ সরকার, মুক্তিযোদ্ধা পাঠাগারের নেতা আবদুল লতিফ চঞ্চল, বরেন্দ্র কলেজ অধ্যক্ষ আলমগীর মালেক, নির্মূল কমিটির নেতা শাহ আলম বাদশা, ছাত্রনেতা তামিম শিরাজীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন, নগর নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জল।
এর আগে নগরীর আলুপট্টির বঙ্গবন্ধু চত্বরে তার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ