‘ডিসেম্বরের মধ্যে বিকেএমইএ’র শ্রমিক ডাটাবেজের কাজ শেষ করতে হবে’

আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০১৮, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে বিকেএমইএ’র (বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি) সব শ্রমিকদের ডাটাবেজ তৈরির কাজ শেষ করতে হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে জানুয়ারি থেকে আরএমজি কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে বিকেএমইএ’র শ্রমিকরা সুবিধা পাবে না।’
বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আরএমজি কেন্দ্রীয় তহবিলের নবম বোর্ড সভায় সভাপতির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী একথা বলেন।
মো. মুজিবুল হক বলেন, ‘বিজিএমইএ’র (তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি) শ্রমিকসংখ্যা অনেক বেশি হওয়ার পরও তারা তাদের ডাটাবেজ সম্পন্ন করেছে। কিন্তু বিকেএমইএ তাদের শ্রমিকদের ডাটাবেজ এখনও সম্পন্ন করতে পারেনি।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে বিকেএমইএ’র শ্রমিকদের সুবিধা পেতে হলে তাদের অবশ্যই ডাটাবেজের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’
বোর্ডসভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব আফরোজা খান, বিজিএমইএ’র সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় তহবিলের মহা-পরিচালক ড. আনিসুল আউয়াল, জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, শ্রমিক নেতা বদরুদ্দোজা নিজাম, সিরাজুল ইসলাম রনি এবং নাজমা আখতারসহ বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।
বোর্ড সভার শুরুতে প্রতিমন্ত্রী আরএমজি কেন্দ্রীয় তহবিলের লোগো উন্মোচন করেন। সভায় জানানো হয়, ২০১৬ সালের ১ জুলাই কেন্দ্রীয় তহবিল চালু হওয়ার পর এপর্যন্ত ১শ’ আঠারো কোটি দুই লাখ টাকা জমা হয়েছে। এর মধ্যে শ্রমিকদের ৪৬ কোটি ১১ লাখ অনুদান দেওয়া হয়েছে। ৬৬ কোটি টাকা এফডিআর করা হয়েছে। বর্মমানে ১০ কোটি ৯০ লাখ টাকা তহবিলে রয়েছে। এ তহবিল থেকে এপর্যন্ত দুই হাজার ৪শ’ ৩১ জন পোশাক শ্রমিককে অনুদান দেওয়া হয়েছে। মোট পোশাক রফতানির শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ অর্থ পোশাক শ্রমিকদের কল্যাণে গঠিত আরএমজি কেন্দ্রীয় তহবিলে জমা হয়।