ঢাবিকে হারিয়ে মুট কোর্টে চ্যাম্পিয়ন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট: ডিসেম্বর ১২, ২০১৭, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট সোসাইটি ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ আয়োজিত অ্যান্টি করাপশান মুট কোর্ট কম্পিটিশনে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও মানবাধিকার বিভাগের কৃতী শিক্ষার্থী দ্রোহী ইসহাক, মাশরুর আব্দুল্লাহ আবিদ ও আক্তারুজ্জামান প্রিন্স চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
গত ৭ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢবি) অনুষ্ঠিত মুট কোর্ট কম্পিটিশনে স্বাগতিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় টিম সেমিফাইনালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টেট ইউর্নিভাসিটিকে এবং ফাইনালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
জাতীয় পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতাটিতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট টিমের সদস্য আইন ও মানবাধিকার বিভাগের কৃতী শিক্ষার্থী দ্রোহী ইসহাক, মাশরুর আব্দুল্লাহ আবিদ ও মো: আক্তারুজ্জামান প্রিন্সকে অভিনন্দন।
এদিকে গত ৭ ডিসেম্বর এ প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আখতারুজ্জামান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। তাঁরা তাদের বক্তব্যে টিআইবি এবং ডিইউএমসিএস এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতার প্রশংসা করেন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সোচ্চার হবার পাশাপাশি আমাদের দৈনন্দিন জীবন দুর্নীতিমুক্ত করার প্রয়াস চালানোর আহ্বান জানান।
বিচারপতি সৈয়দ মুহাম্মদ দস্তগীর হোসেনের সভাপতিত্বে সমাপনি অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ রিফাত আহমেদ, ড. ইফতেখারুজ্জামান ও ড. বোরহান উদ্দিন খান। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ‘স্পিরিট অব দ্য মুট’ পুরস্কার জিতে নেয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিতে নেয় ‘বেস্ট মেমোরিয়াল’ পুরস্কার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাহিদ আল মামুন জিতে নেন ‘বেস্ট রিসার্চার’ পুরস্কার ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্জনা হক মিফতা শ্রেষ্ঠ মুটারের খেতাব জয় করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানের অতিথিরা অংশগ্রহণকারীদের গবেষণার গভীরতা এবং স্পষ্ট মৌখিক উপস্থাপনার প্রশংসা করেন। বাংলাদেশে দুর্নীতির অনেক উদাহরণ উদ্ধৃত করে তারা দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে টিআইবির প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।