তানোরে কৃষক স্কুলের শিক্ষায় সহজেই সমাধান!

আপডেট: মার্চ ৩, ২০১৭, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ

লুৎফর রহমান, তানোর


কৃষক মাঠ স্কুলের শিক্ষায় বদলে যাচ্ছে তানোরের কৃষি কাজ। হাতে কলমে আধুনিক শিক্ষা কাজে লাগিয়ে কৃষকরা কৃষি উৎপাদনে সহজ সমাধান খুঁজে পাচ্ছে। উৎপাদনে আর সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না তাদের।
কৃষকরা জানান, কৃষক মাঠ স্কুল কৃষকদের ধান, পাট, আম, লিচু, গম, আলুসহ কৃষি পণ্য চাষ এবং গরু, ছাগল, হাঁস মুরগি পালনে আধুনিক ধারণা দিচ্ছে। এ শিক্ষা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে উপজেলার কৃষিখাত।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় ডেনমার্কের সহায়তায় খামার ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ৬টি করে কৃষক মাঠ স্কুল তৈরি করা হয়েছে। এসব স্কুলে ২৫ জন নারী এবং ২৫ জন পুরুষ প্রান্তিক শিক্ষা গ্রহণ করছেন। এছাড়াও ৫০ জন কৃষককে বিশেষজ্ঞরা কৃষি পণ্য উৎপাদন সম্মক জ্ঞান দিচ্ছেন। বিভিন্ন কৃষি পণ্য যেমন ধান রোপণের জন্য কি ধরনের জমি প্রস্তুত করা প্রয়োজন, রাসায়নিক সার ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার প্রয়োগ কিংবা ধান খেত দেখে সমস্য বোঝা যাতে কীটনাশক প্রয়োগ করা যেতে পারে, এসব বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা দেয়া হয়। পাশাপশি গবাদি পশু পালন, দেশি মুরগির মাধ্যমে বছরে ডিম তথা বাচ্ছা ফোটানো, ব্রয়লার মুরগি পালন এমনকি মাছ চাষসহ গর্ভবতী মায়েদের কি ধরনের পুষ্টির প্রয়োজন সে বিষয়ে ও সম্মক জ্ঞান দিচ্ছেন তারা।
এ নিয়ে তানোর পৌর এলাকার তালন্দ গ্রামের কৃষক খলিল, আফজাল, সালাম, আরজান, নরুল ইসলাম, শরিফুল বলেন, আগে কোন সমস্যা হলে তাদের কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে হতো। অনেক সময় ব্লক সুপার ভাইজাররা আসতে চাইতেন না, কিংবা অনিহা দেখাতেন। কিন্তু এখন আর এ সমস্যা নেই। খেতে গেলেই কৃষকরা বুঝতে পারছেন এখন কি করার প্রয়োজন। আর যার কারণে তাদের পণ্য উৎপাদনে আর কোন সমস্যা হচ্ছে না।
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার শফিকুল ইসলাম জানান, ডেনমার্কের সহায়তায় খামার ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৬টি কৃষক মাঠ স্কুল তৈরি করা হয়েছে। এতে করে উপজেলার কৃষকরা নিজ নিজ ফসলের রোগ চিহিৃতকরণ ও হাতে কলমে সেগুলোর সমাধান করার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া গবাদি পশু পালন, দেশি মুরগির মাধ্যমে বছরে ডিম তথা বাচ্ছা ফোটানো, ব্রয়লার মুরগি পালন এমনকি মাছ চাষসহ গর্ভবতী মায়েদের কি ধরনের পুষ্টির প্রয়োজন সে বিষয়ে ও সম্মক জ্ঞান দিচ্ছেন বলে তিনি জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ