তুচ্ছ ঘটনায় রাবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩

আপডেট: মার্চ ৩, ২০১৯, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ

রাবি সংবাদদাতা


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দ্ইু পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নান চত্বরের পাশে ও জোহা চত্বরে দুই দফায় এই ঘটনা ঘটে। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন, অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ ও মারুফ। আসিফ হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্য দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাশ বাংলা মাঠে ক্রিকেট খেলায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। উপস্থিত দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে মারপিটে জড়িয়ে পড়ে। পরে সন্ধ্যায় মারুফ ও আসিফ টুকিটাকি চত্বরে যায়। ফেরার পথে আগ্ েথেকে টুকিটাকিতে বসে থাকা অনিকসহ আরও কয়েকজন তাদের অনুসরণ করে। এরপর শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনে তাদের ওপর হামলা চালায় অনিকসহ কয়েকজন। এ ঘটনার জেরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে জোহা চত্বরে অনিককে একা পেয়ে মারুফ ও আসিফের দশ থেকে পনেরো জন বন্ধু তার ওপর হামলা চালায়। এতে আহত হয় অনিক।
জানা যায়, আহত তিন জনই ছাত্রলীগ কর্মী। অনিক বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুনুর অনুসারী। মারুফ ও আসিফ সভাপতি কিবরিয়ার অনুসারী বলে জানা গেছে।
ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের বিষয়টি অস্বীকার করে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কিবরিয়া বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনোমিক্স ও পাবলিক অ্যাডমিনেস্ট্রেশন বিভাগের ছোট ভাইদের মধ্যে সমস্যা হয়েছে। আমরা তার সমাধান করে দিয়েছি।’
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ছোট ভাইদের বিভাগের খেলা নিয়ে সমস্যা হয়েছে। আমি ও কিবরিয়া ভাই বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি। অনিক তার অনুসারী কিনা জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর লুৎফর রহমান বলেন, খেলাকে কেন্দ্র করে অর্থনীতি বিভাগ ও লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমস্যা হয়েছে শোনার পর আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ বিষয়টি যাচাই করে দেখেছে। সমস্যা সমাধানের জন্য ফয়সাল আহমেদ রুনু ও গোলাম কিবরিয়াকে ফোন করে বলেছি।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ