দম ফেলার সময় নেই নগরীর কামার পল্লীতে

আপডেট: আগস্ট ১১, ২০১৯, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


কোরবানি জবাইয়ের জন্য নগরীতে বিক্রি হচ্ছে কাঠের গুড়ি ও দা ছুরি সোনার দেশ

কাল ঈদ। সকলের মাঝে চলছে ঈদের শেষ সময়ের প্রস্তুতি। আর সকল প্রস্তুতির মাঝে ব্যস্ততা বেড়েছে কামার পল্লীতে। এদিকে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে টুং টাং শব্দ। নির্ঘুম রাত কাটছে এখন কামার শিল্পীদের।
এদিকে শেষ সময়ে দিনরাত দা-ছুরি, বটি, চাকু, চাপানি, হাসিয়াসহ সকল সরঞ্জামাদি তেরিতে ব্যস্ত রাজশাহীর কামার শিল্পীরা। রাজশাহীর সকল উপজেলাসহ নগরীর কামার পল্লীতে লোহা পেটানোর শব্দে মুখরিত সময় কাটছে। এদিকে ক্রেতাদের চাহিদামত সরঞ্জামাদি তুলে দিতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে কামাররা।
গতকাল সন্ধ্যায় নগরীর জেলা স্টেডিয়ামের কামার পল্লীতে গিয়ে দেখা যায়, কোরবানির পশু জবাই করার উদ্দেশ্যে সকলে দা, বটি, চাকু, চাপাতিসহ অন্যনো সরঞ্জামাদি তৈরি করছে-ক্রেতারা কিনছে। স্টেডিয়াম এলাকার কামার পূলক কর্মকার জানান, অনেক দিন থেকেই পর্যাপ্ত অর্ডার পেয়েছি। এই কয়েকদিন থেকে দিন-রাত কাজ করতে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত করছি। এখন আর দম ফেলার সময় নেই। আমার কাছে প্রতিকেজি চাপড় বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, জবাই চাকু ২৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, চামড়া ছিলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, দা ৩৫০ টাকা কেজি, বটি ৪০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
কামার রেজাউল করিম জানান, কয়েকদিন থেকে অনেক অর্ডার পেয়েছি। দিন-রাত কাজ করতে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত অনেক অর্ডার পড়ে আছে কালকে হয়তো শেষ করতে পারবো। আমার এখানে পশু জবাইয়ের চাকু, চামড়া ছিলা, দা, বটি বিক্রি হচ্ছে। আর যেগুলো অর্ডার পেয়েছি সেগুলোর কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি। ক্রেতা সিদ্দিক আলী জানান, গতবারের কিছু সরঞ্জামাদি ছিলো তাই এবার তেমন ভাবে অর্ডার দেয়নি। আগের গুলোই এবার পুড়িয়েছি। আর নতুন করে কিনছি চাকু।
ক্রেতা শাহারিয়ার কবির জানান, গত সপ্তাহে দা, জবাইয়ের চাকুসহ কয়েকটি সরঞ্জামাদি অর্ডার দিয়েছিলাম। আজ নিতে এসেছি। কুরবানি বলে কথা তাই আগেই অর্ডার দিয়েছি। সব কাজ শেষ শুধু চাকুটা হলেই নিয়ে চলে যাবো।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ