দাদুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাসনিয়ার জাতীয় পুরস্কার লাভ

আপডেট: মার্চ ১৫, ২০১৯, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


গত বুধবার ঢাকার চিন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে সনদ নিচ্ছে তাসনিয়া আফরিন-সংগৃহীত

অভিনয় থেকে শুরু করে কবিতা আবৃত্তি-সবকিছুতেই পারদর্শী সে। শুধু পারদর্শীই নয়, একক অভিনয় আর কবিতা আবৃত্তিতে স্কুল পর্যায়ের জাতীয় প্রতিযোগিতাতেও একাধিকবার পুরস্কারও পেয়েছে তাসনিয়া আফরিন। সর্বশেষ জাতীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় আবৃত্তি বিভাগে মেয়েদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে গত বুধবার ঢাকার চিন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে নিয়েছে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে সনদও।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা গ্রামের একেএম কামাল মমতাজী এবং মোসা. সারওয়ার জাহানের দশবছর বয়সি কন্যা তাসনিয়া পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমেও অংশ নিয়ে থাকে। আবৃত্তিকার হিসেবে এলাকায় ছোটবেলা থেকেই তার নাম ডাক। পাঁচ বছর বয়স থেকেই মঞ্চে আবৃত্তি করে আসছে সে। ২০১৭ সালে জাতীয় শিশু কিশোর মেলায় ‘খ’ গ্রুপে আবৃত্তিতে প্রথম স্থান অধিকার করে সে। এছাড়াও এ বছর এক কিরাত প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। রাজশাহী বেতারেও নিয়মিত কবিতা আবৃত্তি করে সে।
বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্য শিবগঞ্জের হরিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী তাসনিয়ার। এতে যে তার দাদুর লক্ষ্য পূরণ হয়! স্থানীয় রাণীহাটি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মোহা. খাইরুল আলম তার দাদু। হরিনগর হাইস্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক, সমাজসেবক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খাইরুল আলম ১৯৯৭ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে লাভ করেন স্বর্ণ পদক। দাদুর প্রেরণাতেই নাতনী তাসনিয়া আফরিনের সামনে এগিয়ে চলা।