দাম কমেনি পেঁয়াজের

আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০১৯, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীতে পেঁয়াজের দাম এখনো কমেনি। গত সপ্তাহের দামেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। নগরীতে দেশি পেঁয়াজ ১৩০ টাকা কেজি ও ভারতীয় পেঁয়াজ ১২০ টাকা। গতকাল শুক্রবার নগরীর সাহেববাজার ও মাস্টারপাড়া ঘুরে দেখা যায়, কিছু কিছু ব্যবসায়ী গত সপ্তাহের চেয়ে ৫ টাকা বেশিতে বিক্রি করছে। তবে পাইকারি বাজারে, দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা কেজি, আমদানি করা বার্মা ও ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি।
পেঁয়াজের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন জানান, পেঁয়াজের আমদানি পর্যাপ্ত না হওয়ায় দাম কমছে না। আজকে পেঁয়াজ দেশিটা ১১০ টাকা কেজি, আমদানি করা পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। তবে খুচরা বাজারে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দামে বিক্রি করছে। এখন বার্মার কিছু পেঁয়াজ আমদনি হচ্ছে তবে তা চাহিদার তুলনায় কম। যার কারণে দাম কমছে না।
তিনি আরো জানান, রাজশাহীতে দৈনিক ৪০০ বস্তা পেঁয়াজের চাহিদা আছে। আমদানি কম হওয়ায় এখন দেশি পেঁয়াজ ২০০ বস্তা, বার্মা ও অন্যান্য পেঁয়াজ ২০০ বস্তা দিয়ে চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। চাহিদার বড় অংশ দেশি পেঁয়াজ দিয়ে পূরণ করতে হচ্ছে তাই দাম কমছে না।
ক্রেতা সাইম জানান, আজকে কিছু সবজির দাম বেশি আর কিছু সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে পেঁয়াজের দাম কমছে না। এখন দাম বেশি হওয়ায় পেঁয়াজ কম নিচ্ছি। বাজারে প্রশাসনের একটু নজরদারি বাড়ানো দরকার। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের তো কষ্ট হচ্ছে।
এ দিন ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা কেজি, পাতাকপি ৪০ টাকা কেজি, শসা ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, করলা ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, সিম ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, বেগুন ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজি, পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি, আলু ২২ টাকা কেজি, ঢেঁড়শ ৪০ টাকা কেজি, বরবটি ৪০ টাকা কেজি, মুলা ২০ টাকা কেজি, লালশাক ১০ টাকা আঁটি, সবুজ শাক ১৫০ টাকা আঁটি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ