দুর্গাপুরে সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে চাঁদা না পেয়ে বাড়িঘর ভাঙার অভিযোগ

আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৯, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ

দুর্গাপুর প্রতিনিধি


চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন পাকা ঘর ভেঙে দেয়া হয়েছে সোনার দেশ

রাজশাহী দুর্গাপুরে চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন পাকা ঘর ভেঙে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক কাউন্সিলর কুদ্দুসের বিরুদ্ধে। এসময় পিটিয়ে আহত করা হয় ঘরের মালিক জালালকে। গুরুতর আহত অবস্থায় জালালকে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার পৌর এলাকার ধোপাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় দুর্গাপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগির স্বজনরা। পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলের নেতৃত্বে মৃত বাহারের ছেলে মাহাবুব ও আবু বাক্কার সিদ্দিকের ছেলে আলমগীর হোসেনসহ কয়েকজন যুবক চাঁদাবাজি করেন। তারা এলাকার বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে চাঁদা তোলে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো কিছু বলতে গেলে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। সে ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে না। গত এক মাস থেকে তারা আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। বিভিন্ন সময় তার মোবাইল ফোনেও হুমকি দেয় এবং চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা বাড়িঘর ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়। কাউন্সিলর কুদ্দুস নিজেই আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। আামি তাকে চাঁদার টাকা দিতে না চাইলে গতকাল শনিবার সকালে তার লোকজন নিয়ে আমার বাড়ি আসে এবং মারপিট শুরু করে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে এবং আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি আরো বলেন, স্থানীয়দের হুমকি দিয়ে আমার ঘর ভেঙে ফেলে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলে ঘটনাস্থল পুলিশ পরির্দশন করে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক কাউন্সিলর কুদ্দুস বলেন,‘আমি নিয়মিত ওই বাড়ির পাশ দিয়ে হাঁটতে যাই। প্রতিদিনের মতো গতকাল শনিবার সকালে হাঁটতে গিয়ে দেখি ওই বাড়ি ভাঙচুর করছে ওই এলাকার মাহাবুর ও আলমগীরসহ কয়েকজন যুবক। এতে স্থানীয় লোকজন আমার নির্দেশে ঘর ভাঙা হচ্ছে মনে করে তারা আমাকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে।
দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খুরশিদা বানু কনা বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি এবং ঘটনাস্থলে পুলিশও পাঠিয়েছি। কিন্তু চাঁদাবাজির বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে চাঁদাবাজির সত্যতা থাকলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ