দৈনিক সোনার দেশে সংবাদ প্রকাশের পর || সিংড়ায় বখাটেদের উৎপাত রোধে পুলিশের বিশেষ টহল : গ্রেফতার এক

আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০১৭, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ

নাটোর অফিস


দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকায় ‘সিংড়ায় সাত পয়েন্টে বখাটেদের উৎপাত, নিরাপত্তাহীনতায় জেএসসি পরীক্ষার্থীরা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। বখাটেদের উৎপাত রোধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে সিংড়া থানা পুলিশ। গতকাল রোববার সকাল ৯টায় হঠাৎ সিংড়া পৌর শহরের জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশের এই মহড়া নেশাগ্রস্ত যুবক ও বখাটেদের এক নিমিষেই হাফিয়ে তোলে।
এসময় অনেক বখাটে যুবককে ক্ষমা চেয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে দেখা গেছে। এদিকে এক শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করার অপরাধে কতুয়াবাড়ী গ্রামের লিটন হোসেন নামের এক বখাটে যুবককে আটক করে নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি জেএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সিংড়া বাসস্ট্যান্ড, থানা মোড়, রহিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, নতুন শহীদ মিনার ও উপজেলা প্রশাসনের কোয়াটার এলাকাসহ সাতটি পয়েন্টে বখাটেদের উৎপাত বৃদ্ধি পায়। এতে গ্রাম-গঞ্জ থেকে আসা নিরীহ জেএসসি পরীক্ষার্থীরা বখাটেদের উত্ত্যক্তের শিকার হয়। পরে ৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় সিংড়া বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনেই এক পরীক্ষার্থীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় এক বখাটে যুবক। এসময় শিক্ষকরা এগিয়ে গেলে শিক্ষকদেরকেও দেয়া হয় মারপিটের হুমকি। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে তোলপাড় শুরু হয়। এরপর থেকেই বখাটেদের ধরতে পুলিশের গোপনে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়। সবশেষ রোববার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সিংড়া থানার এসআই মাসুদ রানা ও এসআই খাইরুজ্জামানের নেতৃত্বে ২৫ জন পুলিশ সদস্যের সাতটি টিম পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর সামনে বহিরাগত বখাটেদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ ও আইডি কার্ড পরীক্ষা করে। এসময় অহেতুক পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ভীড় করে থাকার জন্য বেশ কয়েকজন বখাটেকে ক্ষমা চাওয়ার পর ছেড়ে দেয়া হয়। এতে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা অভিভাবকরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, বখাটেদের উৎপাত রোধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্যান্য যারা জড়িত রয়েছে তাদেরকে সনাক্ত করে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।#