দ্বিতীয় দফা তলবেও হাজির হননি দুদকের বরখাস্ত পরিচালক বাছির

আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৯, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


আইনজীবীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নিÍ এমন কারণ দেখিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি সংস্থাটির বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনজীবীকে ছাড়া তিনি দুদকে হাজির হবেন না।
বুধবার (১০ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে হাজির হওয়ার কথা ছিল বাছিরের। এ নিয়ে পর পর দুই দফা দুদক তলব করার পরও তিনি হাজির হলেন না।
বাছিরকে প্রথম দফায় গত ২৪ জুন নোটিশ পাঠিয়ে ১ জুলাই তলব করে দুদক। ওইদিন অসুস্থতার অজুহাতে উপস্থিত হননি তিনি। এরপর দ্বিতীয় দফায় নোটিশ পাঠিয়ে ১০ জুলাই দুদকে হাজির হতে বলা হয় তাকে। এবার আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি না মেলায় হাজির হলেন না তিনি।
পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও বাছিরের মধ্যে ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান কমিটি গঠন হয় ১৩ জুন। তিন সদস্যের এ কমিটির প্রধান দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যাহ। অন্য দুই সদস্য হলেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান ও মো. সালাউদ্দিন।
উচ্চ আদালতের নির্দেশে ডিআইজি মিজান গ্রেফতার হন গত ১ জুলাই। ওইদিন দুদকে তার হাজির হওয়ার কথা ছিল। তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনিও হাজির হননি।
গত ৯ জুন মিজান-বাছিরের ঘুষ লেনদেনের কথোপকথনের একাধিক অডিও প্রকাশ করেন মিজান। এ বিষয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদনও প্রচার হয়।
আর গত ২৩ জুন বাংলা ট্রিবিউনে ‘লন্ডন প্রবাসী দয়াছের অডিও সংলাপে দুদকের ওরা কারা?’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। প্রতিবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয় ঘুষ লেনদেনের অডিও। এই ঘুষ লেনদেন নিয়ে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল দয়াছ, ডিআইজি মিজান ও দুদক পরিচালক আব্দুল আজিজ ভূইয়ার মধ্যকার অডিও সংলাপে ৬ জনের নাম আলোচিত হয়। বাংলা ট্রিবিউনে প্রতিবেদন প্রকাশের পর দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ঘুষ কেলেঙ্কারির অনুসন্ধান করা হবে।
গণমাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনার অনুসন্ধান চলছে। এর অংশ হিসেবে আজিজ ভূইয়া ও দুদকের সাবেক পরিচালক জায়েদ হোসেন খানকে গত ৩০ জুন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ