ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নগরীতে পবিত্র জুমাতুল বিদা পালিত

আপডেট: জুন ১, ২০১৯, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীতে পবিত্র জুমাতুল বিদায় অংশ নেন মুসল্লিরা-সোনার দেশ

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ইহকাল ও পরকালের মুক্তি কামনায় নগরীতে পবিত্র জুমাতুল বিদা পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে নগরীর মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার জুমাতুল বিদা হিসেবে ধর্মীয় অনুভূতির মধ্য দিয়ে প্রতিবছর পালন করেন মুসলিম জাতি।
রমজানজুড়ে রোজা রাখা আর ইবাদত-বন্দেগির অংশ হিসেবে জুমাতুল বিদায় নাজাত প্রার্থনা করেন সবাই। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রমজানের শেষ জুমায় শামিল হন। জুমার আজানের পর রাজশাহী কেন্দ্রীয় শাহ্ মখদুম (রহ:) দরগা মসজিদ, সাহেব বাজার বড় মসজিদ ও হেতম খাঁ মসজিদসহ সব মসজিদে নামাজে মুসল্লিদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।
জুমাতুল বিদাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার নামাজ শুরুর আগেই সব মসজিদে মুসল্লিরা আসেন। প্রচুর মুসল্লির সমাগম ঘটায় অনেকে ঠাঁই না পেয়েও মসজিদের বাইরে নামাজ আদায় করেন।
এরপর জুমাতুল বিদার খুতবায় উচ্চারিত হয় ‘আলবিদা, আলবিদা, ইয়া শাহর রামাদান। অর্থাৎ বিদায়, বিদায় হে মাহে রমজান।
জুমার দুই রাকাত নামাজ শেষে রাজশাহীসহ গোটা দেশ ও জাতির সুখ, সমৃদ্ধি, কল্যাণ ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া করা হয় বছরের বাকি দিনগুলোতে যেন পাপ ও অকল্যাণ থেকে মুক্ত থাকা যায়।
নামাজ আদায়ের পর নগরীর গৌরহাঙ্গা, টিকাপাড়া, কাদিরগঞ্জ, হেতমখাঁসহ বিভিন্ন কবরস্থানে বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনের কবর জিয়ারত করেন মুসল্লিরা।
রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানের শেষ জুমা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পালন করে থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। একইসঙ্গে এদিনকে আল কুদস দিবস হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, রমজান মাসের সর্বোত্তম বা উৎকৃষ্ট দিবস হলো জুমাতুল বিদা। রমজান মাসের শেষ শুক্রবার অথবা শেষ জুমাবারের দিন জুমাতুল বিদা হিসেবে মুসলিম বিশ্বে পরিচিত। এ মাসের শেষ জুমার দিন পালিত হয় আল কুদ্স দিবস। তাই দিনটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ