ধামইরহাটে তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ না করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০১৯, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ

ধামইরহাট প্রতিনিধি


নওগাঁর ধামইরহাটে তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ না করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টায় ধামইরহাট বাজারের নুরজাহান কমপ্লেক্সে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগি পরিবারের সদস্য মো.শহীদুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৭ অক্টোবর’১৯ তারিখে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেমার স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, আমাদের ভোগদখলীয় ধামইরহাট-নজিপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পার্শে বিহারীনগর মৌজার তিন ফসলি জমি সরকার মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের জন্য অধিগ্রহণ করেছেন। যার এলএ কেস নম্বর-০২/২০১৯-২০। ওই জমির জেএল নম্বর ১০৩,খতিয়ান নম্বর ৯৮ এবং জমির পরিমাণ ৪৩ শতাংশ। তিনি আরো বলেন, তার দাদা মরহুম আছর আলীর সামান্য জমি নিয়ে তার ৮ ছেলে ১০জন মেয়ে ও ৩স্ত্রীর মাঝে ভাগ বাটোয়ারা করা হয়। ওই বংশের এখন সন্তান সন্তুতির সংখ্যা ১১০ জন। কোনক্রমে আমরা পৈত্রিকসূত্রেপ্রাপ্ত জমিগুলো চাষাবাদ করে সংসার চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু হঠাৎ করে আমাদের ওই ৪৩ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের নোটিশ আসায় আমরা হতাশ ও অসহায় হয়ে পড়েছি। ইতোমধ্যে ধামইরহাট-নজিপুর-নওগাঁ রাস্তা নির্মাণের সময় এক একর এবং পাকা থেকে ধানতাড়া সড়ক নির্মাণের জন্য প্রায় ৮০ শতাংশ দখলীয় জমি রাস্তার মধ্যে চলে গেছে।
অথচ যে জমিতে মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র্র নির্মাণে কথা বলা হয়েছে সেই জমির ১ কিলোমিটারের মধ্যে কোন জনবসতি নেই। প্রধানমন্ত্রী যখন বলছেন তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ না করতে এবং যেখানে জনবসতি নেই সেখানে মসজিদ নির্মাণ করলে কোথা থেকে মুসল্লি আসবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভুক্তভোগি পরিবারের পক্ষ থেকে জোর দাবি তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র তিন ফসলি জমি যেন অধিগ্রহণ করা না হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগি পরিবারের আবদুস সোবহান, আবু নাসের রনজু, মতিবুল ইসলাম, আবু তালেব প্রমুখ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ