ধামইরহাটে দেশি প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে

আপডেট: মার্চ ১২, ২০১৮, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ

ধামইরহাট প্রতিনিধি


ধামইরহাট উপজেলার নদ-নদী, খাল-বিল, হাওড়-বাওড় ও বিল-জলাশয় থেকে দেশিয় প্রজাতির মাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে। দুই দশক আগেও ধামইরহাটের আত্রাই নদী, বিভিন্ন খাল-বিল, হাওড়-বাওড় ও বিল-জলাশয়ে দেশিয় প্রজাতির মাছে ভরপুর ছিল। কালের আবর্তে নদ-নদী, খাল-বিল, বিল-জলাশয় ও হাওড়-বাওড়গুলো ভরাট হয়ে শুকনো মৌসুমে পানিশূন্য হয়ে যায়।
প্রাকৃতিকভাবে বংশ বিস্তার করতে না পারায় দেশি প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বর্ষা কালে রেণু পোনা ও ডিমওয়ালা মা মাছ ধরার কারণেও এ সর্বনাশ দেখা দিয়েছে। অর্থলোভী মাছ শিকারিরা কারেন্ট জাল দিয়ে আইন অমান্য করে অবাধে রেণু পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ ধরছে। এতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পরবর্তী বংশবিস্তার শূন্যের কোঠায় এসে ঠেকেছে। বিশেষ করে মাছ ডিম ছাড়ার সময়ে এবং বর্ষাকালে রেণু পোনা ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ থাকলেও তা কেউই মানছে না। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে এসব মাছের অনেক প্রজাতি এখন আর চোখে পড়ে না। জানা গেছে, শঙ্ক, শোল, রিঠা, গুজো, বাজারি, টাকি, ভেদা, বেত, টেংরা, চিতল, মাগুর, শিং, বাটা, কালবাউশ, বাইল্যা, কাজলি, সরপুটি, পাবদা, মহাশোল, খসলা ইত্যাদি মিঠা পানির মাছ স্বাদে অতুলনীয়। গ্রাম-গঞ্জের মানুষ দেড়যুগ আগেও নদ-নদী, খাল-বিল, বিল-জলাশয় ও হাওড়-বাওড়গুলো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ এসব মাছ আহরণ করত। অনেকে পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রি করে সংসারের খরচ চালাতো। কিন্তু এখনকার পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। কিছু কিছু প্রজাতির মাছ এখনও কোন রকমে টিকে আছে।