বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

নগরীতে জমতে শুরু করেছে শীত পোশাকের বাজার

আপডেট: December 8, 2019, 1:09 am

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাস্তার একদিকে ভ্রাম্যমাণ গাড়ির উপরে রাখা বিভিন্ন রঙের শীতের পোশাক। গাড়ি ঘিরে ক্রেতাদের পছন্দসই কাপড় নিয়ে চলছে দরকষাকষি। অনেকটা সাশ্রয়ী মূল্যে নিম্নবিত্ত মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও ভিড় করছেন এখানে।
অন্যদিকে, নগরীর মার্কেটগুলোতে বাহারি ডিজাইনের বৈচিত্র্যময় পোশাক লাইটের আলোয় শোভা ছড়াচ্ছে। তবে শিশু ও নারীদের পোশাকের দোকানে বেচাবিক্রি জমতে শুরু করলেও ছেলেদের পোশাকের দোকানগুলোতে নেই তেমন ভিড়। নগরীর শপিংমলগুলোতেও ক্রেতা সমাগম কম দেখা গেছে।
নগরীর আরডিএ মাকের্টের ব্যবসায়ী আশিক আহমেদ জানান, ছেলেদের গরম পেশাকের দোকানগুলোতে বেচাবিক্রি কম। শিশু ও মেয়েদের দোকানগুলোতে কিছুটা বেচাবিক্রি শুরু হয়েছে। তবে শীত উপলক্ষে এখনো বাজার তেমন জমতে শুরু করেনি। আপডেট বলতে দু-একটা পোশাক ভিন্ন আঙ্গিকে এসেছে। তবে হুডি বেশি বিক্রি হচ্ছে। দাম খুব বেশি না। গত বছরের মতোই আছে। আর শীত এখনো তেমন পড়তে শুরু করেনি। শীতের তীব্রতা বাড়লে বেচাবিক্রি বাড়বে।
নগরীর ফুটপাত ব্যবসায়ী রিমন আলী জানান, শীত পোশাকের ব্যবসা এখনো জমতে শুরু করেনি। তবে নগরীর মার্কেটগুলোর চেয়ে ফুটপাতে জনসমাগম বেশি দেখা যাচ্ছে। ফুটপাতে শুধু নিম্নবিত্তরাই পোশাক কেনাকাটা করতে আসছেন এমন না- মধ্যবিত্তরাও সেখানে পোশাক কিনছেন। তবে ক্রেতারা এসে শুধু পোশাক দেখেই চলে যাচ্ছে দাম করছেন না। আমার একটা পোশাক ১৫০ টাকায় কেনা আছে, দাম বলছে ১০০ টাকা । আশা করছি শীতের তীব্রতা বাড়লে বেচাবিক্রি ভাল হবে।
দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ বলছেন দাম স্বাভাবিক আছে। আবার কেউ বলছেন, পেঁয়াজের সুরে সুর মেলাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতা হাবিবুল্লাহ জানান, এবারের পোশাকের দামটা বিক্রেতারা বেশি চাচ্ছেন। দুই ছেলেসহ পরিবারের জন্য শীতের গরম পোশাক কিনতে এসেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত শুধু দুই ছেলের পোশাক কিনতে পেরেছি। আমি ঢাকায় কাজ করি। এখানকার ব্যবসায়ীরা ঢাকার চেয়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ বেশি দাম চাচ্ছেন। অনেকে পেঁয়াজের যুক্তি দেখাচ্ছেন। বলছেন পিঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণে পোশাকের দামও বেড়েছে।
গতকাল শনিবার নগরীর গণকপাড়া ও আরডিএ মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, কিছু কিছু ব্যবসায়ী পোশাকের অতিরিক্ত দাম চাইছেন। দাম বেশি চাইলেও দাম কষাকষিতে প্রায় দ্বিগুণ কমে সেই পোশাক বিক্রি করছেন। তবে দাম করতে না পারলে ঠকতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন কয়েকজন ক্রেতা।
এদিকে শীত উপলক্ষে নগরীর জুতা পট্টির দু-একটি দোকানে ভিড় থাকলেও বিক্রি কম হচ্ছে বলে জানান তারা। তবে বাটা ও লোটোব্র্য্যান্ডের শো-রুমে ভিড় দেখা গেছে। শীত উপলক্ষে বিক্রি কিছুটা বেড়েছেও। এমনটি জানিয়েছেন লোটো রাণীবাজার শোরুমের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার কাজী রিফাত হোসেন এবং বাটা শোরুমের স্টোর ম্যানেজার জহির আহমেদ জুয়েল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ