নগরীতে সাংবাদিক রফিকুলের ওপর হামলা, গ্রেফতার ৫

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীতে হামলায় আহত সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম-সোনার দেশ

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর মালিকানাধীন থিম ওমর প্লাজা মার্কেটের কর্মচারীরা দৈনিক কালের কণ্ঠের রাজশাহীর নিজস্ব প্রতিবেদক রফিকুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল সোয়া ১০টায় রাজশাহী মহানগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ‘থিম ওমর প্লাজা’ নামের একটি বহুতল বাণিজ্যিক ভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণচন্দ্র বর্মন জানান, থিম ওমর প্লাজার ব্যবস্থাপক তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন যে, হামলায় জড়িত পাঁচ নিরাপত্তাকর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তবে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। আর এ হামলার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
এদিকে হামলার ঘটনায় রফিকুল ইসলাম নগরীর বোয়ালিয়া থানায় একটি মামলা করেছেন। এতে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। হামলার পর পাঁচজনকে পুলিশ আটক করেছিল। মামলার পর তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এই পাঁচজন হলেন, থিম ওমর প্লাজার নিরাপত্তা কর্মী আবদুল হাকিম (৪৫), নাহিদ হাসান (২০), সনি (২০), জামাল হোসেন ওরফে মুন্না (২৫) এবং সাঈদ আলী (৩৪)। এদের কাছ থেকে সাংবাদিক রফিকুলের একটি মুঠোফোন এবং মোটরসাইকেলের হেলমেট উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গতকাল সকালে সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম থিম ওমর প্লাজার প্রধান ফটকের পশ্চিম পাশে ফুটপাতে নিজের মোটরসাইকেলটি রেখে রাস্তার বিপরীতে গিয়ে দাঁড়ান। এ সময় ভবনটির নিরাপত্তা কর্মীরা রফিকুলকে মোটরসাইকেলের কাছে ডাকেন। তিনি গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা গাড়িটি সরিয়ে নিতে বলেন। রফিকুল তখন জানতে চান, ফুটপাতে গাড়ি রাখলে সমস্যা কী? এ সময় নিরাপত্তাকর্মীরা তার হেলমেট নিয়ে ভবনের ভেতরে চলে যাচ্ছিলেন।
সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম তখন নিজের পরিচয় দিয়ে এর প্রতিবাদ করেন। আর তখনই শুরু হয় আক্রমণ। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের কাছে থাকা লাঠি দিয়ে সাংবাদিক রফিকুল ইসলামকে বেধড়ক পেটাতে থাকেন। আঘাত করা হয় মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীরা রফিকুলকে ভবনের নিচতলার গ্যারেজের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তখন আশপাশের লোকজন তাকে রক্ষায় এগিয়ে যান। নিরাপত্তাকর্মীরা তখন তাদেরকেও পেটাতে শুরু করেন। এতে ভয়ে লোকজন পালিয়ে গেলে আবার রফিকুলকে পেটানো শুরু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এবং অন্য সাংবাদিকরা গিয়ে রফিকুলকে উদ্ধার করেন। এ সময় রাজশাহীর সাংবাদিকরা থিম ওমর প্লাজার প্রধান ফটকের সিঁড়িতে বসে এ ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান। এ সময় পুলিশ থিম ওমর প্লাজা থেকে ওই পাঁচ নিরাপত্তা কর্মীকে আটক করে নিয়ে যায়। আর সাংবাদিকরা আহত রফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুপুরে রফিকুল ইসলাম থানায় গিয়ে মামলা করেন। এ সময় তার সঙ্গে রাজশাহীর সাংবাদিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম বলেন, পরিচয় দেয়ার পর কোনোকিছু বুঝে ওঠার আগেই পেটাতে শুরু করা হয়। যেভাবে পেটানো হয়েছে সেটা শুধু ভবনের সামনে মোটরসাইকেল রাখার জন্য হওয়ার কথা নয়। এর পেছনে অন্য কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছি। আমি এর বিচার চাই।
সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির নিন্দা : রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান লিয়কিত আলী ও মহাসচিব হাসান মিল্লাতসহ সমিতির পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্যবৃন্দ এক যুক্ত বিবৃতিতে দৈনিক কালের কণ্ঠের রাজশাহীর নিজস্ব প্রতিবেদক রফিকুল ইসলামের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিতে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
আরইউজে : ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরইউজে)। এই হামলা পরিকল্পিত উল্লেখ করে সোমবার দুপুরে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়েছে। তা না হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে আরইউজে।
আরইউজের সভাপতি কাজী শাহেদ, সহ-সভাপতি শরীফ সুমন, সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রকি, কোষাধ্যক্ষ সরকার দুলাল মাহবুব, কার্যনির্বাহী সদস্য মিজানুর রহমান টুকু এবং সামাদ খান ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, ফুটপাতে মোটরসাইকেল রাখায় ভবনের নিরাপত্তা প্রহরীরা পরিকল্পিতভাবে একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা চালাবে এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আরইউজে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভবনটির অন্যতম মালিক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। সম্প্রতি সাংবাদিক রফিকুল ইসলামসহ রাজশাহীর কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক এই এমপির বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সংবাদ বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশ ও প্রচার করে। সোমবারও কালের কণ্ঠে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। আর এই দিনই এমপির ভবনের নিরাপত্তা কর্মীরা সাংবাদিক রফিকুলের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালালো। এর পেছনে ফুটপাতে শুধু মোটরসাইকেল রাখা, নাকি অন্য কোনো কারণ জড়িত-তা খুঁজে বের করা প্রশাসনের দায়িত্ব।
এ ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর আলুপট্টি মোড়ে আরইউজে’র উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশেরও আয়োজন করা হয়েছে। এ সমাবেশে রাজশাহীতে কর্মরত সকল সাংবাদিকদের অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে আরইউজে।
বিএফইউজে : এদিকে সাংবাদিক রফিকুলের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহসভাপতি মামুন-অর-রশিদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আনু মোস্তফা এবং জাবীদ অপু।
রাজশাহী প্রেসক্লাব : কালের কণ্ঠ’র রাজশাহী ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলামের উপর থিম ওমর প্লাজার নিরাপত্তা প্রহরীদের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাজশাহী প্রেসক্লাব। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আসলাম-উদ-দৌলা এক যুক্ত বিবৃতিতে এই ন্যাক্কারজনক হামলার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানানো হয়।
রাবিসাস : এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (রাবিসাস)। একইসঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার দুপুরে এক যৌথ বিবৃতিতে রাবিসাসের সভাপতি সুজন আলী ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা জানান, একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা মানে দেশের বিবেকের ওপর হামলা। আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি দেশে প্রতিনিয়ত সাংবাদিকদের হুমকি ও মারধরসহ নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এসব ঘটনার কোনো বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। এসব নির্যাতন বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বাঁধা এবং স্বাধীন গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংবাদিকতার পরিপন্থী। সাংবাদিক মারধর ও হত্যার মতো ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি-ই এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। তাই দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবি জানান তারা।
গোদাগাড়ী : দৈনিক কালের কণ্ঠের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলামের উপর হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাব। এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রেসক্লাবের সভাপতি আলমগীর কবির তোতা, সাধারণ সম্পাদক জামিল আহম্মেদ, অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, দফতর সম্পাদক মুক্তার হোসেন, সাংবাদিক শামসুজ্জোহা বাবুসহ অন্যান্য সাংবাদিকেরা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি: নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি র (আরসিআরইউ) সাংবাদিকরা। গতকাল সোমবার আরসিআরইউ সভাপতি বাবর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূর এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের পক্ষে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
রাজশাহী ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন: নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন রাজশাহী। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ সাধারণ সম্পাদক সামাদ খান ও প্রচার সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তোতাসহ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ এই ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
দুর্গাপুর মডেল প্রেসক্লাব : দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার রাজশাহী ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক রফিকুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলা মডেল প্রেসক্লাবের সাংবাদিক নেতারা। সোমবার ঘটনার পরেই এক বিবৃতিতে দুর্গাপুর উপজেলা মডেল প্রেসক্লাব সভাপতি এমআর মিজান ও সাধারণ সম্পাদক এসএম শাহাজামাল এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, রাজশাহীতে সাংবাদিক রফিকুল ইসলামের ওপর যে হামলা হয়েছে তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। এ ধরনের ঘটনায় আমরা স্তম্ভিত এবং ক্ষুব্ধ। সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এই বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। নেতারা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
থিম ওমর প্লাজার দুঃখপ্রকাশ : তবে এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে থিম ওমর প্লাজা কর্তৃপক্ষ। গতকাল সোমবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে থিম রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যান ও এমডি সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী জানান, তারা এ অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার পর টেলিফোনে কালের কণ্ঠের সাংবাদিক রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলেছেন ও এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে দায়ী সিকিউরিটি গার্ড ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
কালের কণ্ঠ’র রাজশাহী ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলামের ওপর নগরীর থিম ওমর প্লাজার নিরাপত্তা প্রহরীদের হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি (রুরু)। একইসঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মর্তুজা নুর এবং সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ফরিদের এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘গণমাধ্যমের ওপর হামলার অর্থ জাতির বিবেকের ওপর হামলা। দিনের পর দিন সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েই চলছে। এদিকে প্রশাসন ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়েও নিরব ভূমিকা পালন করছে। এসব ঘটনার কোনো বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। এসব নির্যাতন বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বাঁধা এবং স্বাধীন গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংবাদিকতার পরিপন্থী। সাংবাদিক মারধর ও হত্যার মতো ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি-ই এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। তাই দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবি জানান তারা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ