নাটোরে উচ্চবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে অস্ত্রসহ আটক চার।। চেয়ারম্যানের মোটরসাইকেল জব্দ

আপডেট: মার্চ ২৮, ২০১৭, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ

নাটোর অফিস


নাটোর সদর উপজেলার চন্দ্রকলা উচ্চবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন চলাকালীন সময়ে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে অস্ত্র ও গুলিসহ এক যুবকসহ চারজনকে আটক করেছে র‌্যাব। গতকাল সোমবার বেলা ২টার দিকে চন্দ্রকোলা বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।
এদিন বেলা ১১টার দিকে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর আনাগোনায় মুখরিত চন্দ্রকলা উচ্চবিদ্যালয়ের আশপাশ। এর কিছুক্ষণ পরেই কিছুটা গোলযোগের শব্দ শোনা যায়। সামনে এগিয়ে দেখা গেল তেবাড়িয়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যার ওমর আলী প্রধানের ভাতিজা আনছার আলী লোহার রড হাতে একাই ভোটারদের উদ্দেশ্যে গালিগালাজ এবং সবাইকে ভোট কেন্দ্রের আশপাশ থেকে সরে যেতে বলছেন। সরে না গেলে লাশ ফেলে দেয়ার হুমকি দেন। এর কিছুক্ষণ পরপরই মোটরসাইকেল যোগে চার-পাঁচজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী ভোটকেন্দ্রের দিকে এগুতে চাইলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। এসময় সবাই পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও একটি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলিসহ শহরের তেবাড়িয়া এলাকার রাজ্জাক মুহুরীর ছেলে রাকিবুল ইসলাম অনিককে আটক করা হয়। তৎক্ষণিক স্বীকারোক্তিতে অনিক জানায়, ভোটে নাশকতা ঘটানোর উদ্দেশ্যেই তাকে আনা হয়েছিল।
পরবর্তীতে র‌্যাব সদস্যরা কেন্দ্রের বাইরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ওমর আলী প্রধানের ভাতিজা আনছার আলীকে আটক করে। একই সময়ে মোটরসাইকেল আরোহী একডালার বাসিন্দা মোবাশ্বির ও ওয়াসিম নামে দুই যুবককে আটক করে। তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি চেয়ারম্যান ওমর আলী প্রধানের বলে স্বীকার করে তারা।
এ বিষয়ে নাটোর র‌্যাব ৫’র এএসপি আনোয়ার হোসেন জানায়, একটি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলিসহ রাজ্জাক মুহুরীর ছেলে রাকিবুল ইসলাম অনিককে আটক করা হয়েছে। আনছার আলী, মোবাশ্বির ও ওয়াসিম নামে তিন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে।
তেবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও চন্দ্রকলা এসআই উচ্চবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ওমর আলী প্রধান বলেন, তার ভাতিজাসহ চারজনকে আটকের কথা শুনেছেন। মোটরসাইকেলটি তার হলেও লোচনগড়ের মন্টু হাজীর ছেলে চালানোর জন্য তার কাছে চেয়ে নিয়েছিলো বলে জানান তিনি।