নাটোরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা

আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৮, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ

নাটোর অফিস


নাটোরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (১ম রাউন্ড) ১৪ জুলাই ২০১৮ ক্যাম্পেইন বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাটোর সিভিল সার্জনের আয়োজনে গতকার বুধবার বিকেলে সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম। ক্যাম্পেইন বিষয়ক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন নাটোর সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার নুরে নাসরিন সেতু। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের সাবেক মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল কালাম আজাদ, সিভিল সার্জন অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারী। এছাড়া নাটেরে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, অপুষ্টি জনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে নাটোরে জেলা পর্যায়ে ২ লাখ ৬৩ হাজার ৮ শ ৮৯ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৪ জুলাই নাটোরে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ডে নাটোরে জেলার মোট ১ হাজার ৩ শ ৮৮টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৭৫ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ২৭ হাজার ৭শ ১ জন শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৩৬ হাজার ১শ ৮৮ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এ কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল শিশুর বিকাশে সাহায্য করে। শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে এবং শিশু মৃত্যুর হারকে কমিয়ে আনে। এতে মায়েদের সব চাইতে বেশী সচেতন হতে হবে যেন কোন শিশু এ ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে। ভরা পেটে সঠিক মাত্রায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুকে খাওয়াতে হবে। নইলে মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাব হতে পারে। এতে ভয়ের কোন কারণ নাই। এ কাজে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ সম্পর্কে স্থানীয় মসজিদের ইমাম, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধিরা এবং লোকাল পত্রিকাগুলো বেশী গুরুত্ব ভুমিকা পালন করতে পারে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ