নাটোরে প্রকল্পের টাকা হরিলুট || দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

দেশের উন্নয়নের জন্য সরকার থেকে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এরজন্য বরাদ্দও রাখা হয়। কিন্তু বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনগনের উন্নয়নের প্রকল্পে প্রভাবশালী নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট দফতরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগ নেয়। এতে করে সরকারের উন্নয়নের প্রকল্প ভেসে যায়। আর এদের বিরুদ্ধে নানান কারণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে প্রায় সময় প্রকল্পের ছোঁয়া জনগনের কাছে পৌঁচ্ছে না। এমনি একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে  নাটোরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণ প্রকল্পের টাকা হরিলুটের। স্কুল মাঠ সংস্কারে বরাদ্দকৃত মাটি ভরাটের ৪০ হাজার টাকা একে একে গেছে চেয়ারম্যান থেকে ইউপি সচিবের পকেটে। কাজ না করেই প্রকল্পের টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়ণ কমিটির সদস্যরা। মুখ বন্ধ রাখতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে কিছু নগদ টাকা। ফলে কাগজে কলমেই রয়ে গেছে নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট প্রকল্পটি। মাটি দিয়ে মাঠ না ভরালেও, মাটির টাকায় পকেট ভরেছে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পর্যায়ের কয়েকজন জনপ্রতিনিধির। ফলে মাঠটি আগে যেমন ছিলো, এখনও  তেমনি রয়েছে। অপরদিকে একই রকম ভাবে সদর উপজেলার হয়বতপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ও মাটি ভরাট কাজও শেষ না করেই টাকা উত্তোলন করা হয়। এই কাজের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। এছাড়া নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগর এলাকায় পানি নিস্কাশন কাজ করার জন্য বরাদ্দ ২ লাখ টাকার কাজও সম্পন্ন করা হয় নি। তবে এসব প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট এবং উদ্যেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাদের দাবি থাকতে পারে। তাই বলে সরকারকে চুপ থাকলে হবে না। যখন এসব বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে। তখন চুপ না থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করে এর সত্যতা যাচাই-বাছাই করা উচিত। এমনকি দোষী সবস্থ হলে সংশ্লিষ্টদের দিকে নজর না দিয়ে জনগনের উন্নয়নের কথা ভেবে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ