নৌকা প্রতীক নিয়ে বাবা-মেয়ের লড়াই!

আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০১৮, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


নাটোর-৪ আসন থেকে এবার নৌকার মাঝি হতে চাইছেন বাবা ও মেয়ে। শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে স্বশরীরে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তারা।
নাটোর-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস এদিন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় বাবার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে ও যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি।
একই সঙ্গে বাবা ও মেয়ের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এ আসনে ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বড়াইগ্রামের রফিকউদ্দিন সরকার নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন।
দ্বিতীয় জাতীয় নির্বাচনে গুরুদাসপুরের আসনে অ্যাডভোকেট দিল মোহাম্মদ (বিএনপি), তৃতীয় ও চতুর্থ নির্বাচনে একই উপজেলার আবুল কাশেম সরকার (জাতীয় পার্টি), ষষ্ঠ নির্বাচনে বড়াইগ্রামের অধ্যক্ষ মো. একরামুল আলম (বিএনপি), অষ্টম নির্বাচনে গুরুদাসপুরের মোজাম্মেল হক (বিএনপি), পঞ্চম, সপ্তম, নবম ও ১০ম নির্বাচনে অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস (আওয়ামী লীগ) নির্বাচিত হন।
প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর)। তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর (রোববার)। এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৯ নভেম্বর (সোমবার)। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২২ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার)। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার)।
তফসিল ঘোষণার পর আজ (শুক্রবার) থেকে শুরু হয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্রের ফরম বিক্রি। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে এই ফরম বিক্রি শুরু হয়।
মনোনয়নপত্রের ফরম কেনার জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ের সামনে সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। গতবার মনোনয়ন ফরমের দাম ২৫ হাজার টাকা থাকলেও এবার তা ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন এ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া এলাকার গোপালগঞ্জ-৩ ও রংপুরের পীরগঞ্জের রংপুর-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এবারের সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০, যা গত ৩১ জানুয়ারি হালনাগাদ করা ভোটারের থেকে ৪৮ হাজার ৯৯ জন বেশি। ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ অক্টোবর- এই সময়ের মধ্যে নতুন ভোটার হয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার।
তফসিল ঘোষণার পরই দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তার এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা/জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ